নির্বাচনী ব্যয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর দীর্ঘদিনের সীমা বাতিলের রায়ে অর্থশালী দাতাদের প্রভাব আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা বিশ্লেষকদের
যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর সমন্বিত নির্বাচনী ব্যয়ের ওপর দীর্ঘদিনের ফেডারেল সীমা বাতিল করে রায় দিয়েছে। আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে রাজনৈতিক দলগুলো এখন প্রার্থীদের সঙ্গে সরাসরি সমন্বয় করে আগের তুলনায় অনেক বেশি অর্থ ব্যয় করতে পারবে।
ছয়–তিন ভোটের ব্যবধানে দেওয়া এ রায়ে আদালতের সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতিরা মত দেন যে রাজনৈতিক ব্যয়ের ওপর সীমা আরোপ মতপ্রকাশের সাংবিধানিক অধিকারের পরিপন্থী। অপরদিকে ভিন্নমত পোষণকারী বিচারপতিরা মনে করেন, এই সীমা দুর্নীতি রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
আগে প্রচলিত আইনের আওতায় রাজনৈতিক দলগুলো প্রার্থীদের সঙ্গে সমন্বয় করে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থের বেশি ব্যয় করতে পারত না। নতুন রায়ের ফলে সেই সীমা উঠে গেলেও রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে অনুদান দেওয়ার ক্ষেত্রে নির্ধারিত সীমা বহাল রয়েছে।
সমালোচকদের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে ধনী ব্যক্তি ও বিশেষ স্বার্থসংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীগুলোর রাজনৈতিক প্রভাব আরও বৃদ্ধি পাবে। এতে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অর্থের প্রভাব বাড়বে এবং সাধারণ ভোটারের তুলনায় বড় দাতাদের স্বার্থ বেশি গুরুত্ব পেতে পারে।
অন্যদিকে রায়ের পক্ষে থাকা পক্ষের দাবি, এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক দলগুলোর স্বাধীনভাবে প্রচারণা পরিচালনার সুযোগ বাড়াবে এবং নির্বাচনী প্রতিযোগিতায় সমতা নিশ্চিত করবে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, আগামী মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রচারণার অর্থায়নের ধরন উল্লেখযোগ্যভাবে বদলে যেতে পারে। স্বাধীন ব্যয়কারী তহবিলের পরিবর্তে রাজনৈতিক দলগুলোর মাধ্যমে বেশি অর্থ ব্যয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা নির্বাচনী কৌশল ও অর্থ সংগ্রহের পদ্ধতিতেও বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
“`
















