মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। একটি সামরিক হেলিকপ্টার ভূপাতিত হওয়ার ঘটনার পর দক্ষিণাঞ্চলে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে প্রতিবেশী কয়েকটি দেশে অবস্থিত মার্কিন-সংশ্লিষ্ট সামরিক স্থাপনায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে তেহরান।
দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সতর্ক করে বলেছেন, দেশের বিরুদ্ধে যেকোনো হামলা বা হুমকির জবাব দেওয়া হবে। এতে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে বিশ্লেষকদের মত।
মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানায়, একটি সামরিক হেলিকপ্টার ভূপাতিত হওয়ার পর আত্মরক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসেবে নির্দিষ্ট সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। হামলার পর গুরুত্বপূর্ণ উপকূলীয় অঞ্চল ও বন্দরনগরীর আশপাশে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়।
অন্যদিকে, বিপ্লবী বাহিনী দাবি করেছে যে তারা উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থানরত একটি নৌবহর এবং একটি সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তবে এসব হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে একটি উপসাগরীয় দেশের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা একাধিক বৈরী আকাশযান প্রতিহত করেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক হামলাগুলোর পরিধি তুলনামূলকভাবে সীমিত হওয়ায় উভয় পক্ষ এখনো পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ এড়াতে চাইছে। তবে পরিস্থিতি অত্যন্ত স্পর্শকাতর এবং যেকোনো নতুন ঘটনার ফলে উত্তেজনা দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে।
রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অঙ্গনেও উদ্বেগ বাড়ছে। সামরিক পদক্ষেপের মধ্যেও শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরু করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে প্রতিবেশী আরেক দেশে চলমান হামলায় অন্তত ১৭ জন নিহত এবং বহু মানুষ আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। নতুন করে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ জারির ফলে হাজারো মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে এলাকা ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।
















