তেহরান-ওয়াশিংটন অচলাবস্থা, শান্তি প্রচেষ্টায় নতুন ধাক্কা
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরান-এর মধ্যে চলমান যুদ্ধের ৫৮তম দিনে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা আরও দুর্বল হয়ে পড়েছে। উভয় পক্ষই তাদের অবস্থান থেকে সরে আসার কোনো ইঙ্গিত দিচ্ছে না।
ডোনাল্ড ট্রাম্প তার দূতদের ইসলামাবাদ সফর বাতিল করেছেন, যা শান্তি আলোচনায় বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সময়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি পাকিস্তান সফর শেষে একটি সম্ভাব্য প্রস্তাব দিলেও তা অগ্রগতি আনতে পারেনি।
যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানির দাম বেড়েছে, মূল্যস্ফীতি চাপ তৈরি করছে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা বাড়ছে।
ইরানের পরিস্থিতি
আরাঘচি ওমান সফরে গেছেন এবং পরে আবার পাকিস্তানে ফিরে রাশিয়া যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, তারা ইরানের তথাকথিত “ছায়া নৌবহর”-এর একটি জাহাজ আটক করেছে।
ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।
কূটনৈতিক অচলাবস্থা
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, অবরোধ ও চাপের মধ্যে কোনো “জোরপূর্বক আলোচনা” তারা মেনে নেবে না।
তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, আলোচনা শুরুর আগে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বন্দর অবরোধসহ বাধাগুলো সরাতে হবে।
আরাঘচি মিশর ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছেন, তবে তাতেও দৃশ্যমান অগ্রগতি আসেনি।
যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান
ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের প্রস্তাব “যথেষ্ট নয়”, তাই দূতদের সফর বাতিল করা হয়েছে।
তিনি দাবি করেছেন, ইরানের নেতৃত্বের ভেতরে বিভাজন রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রই শক্তিশালী অবস্থানে আছে।
আঞ্চলিক উত্তেজনা
বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু লেবাননে হিজবুল্লাহ লক্ষ্য করে নতুন হামলার নির্দেশ দিয়েছেন।
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে হামলায় কয়েকজন নিহত হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
সব মিলিয়ে, যুদ্ধের ৫৮তম দিনে কূটনৈতিক পথ আরও সংকুচিত হচ্ছে। দুই পক্ষের কঠোর অবস্থান এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
















