নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশের প্রধান শক্তি হয়ে উঠেছে পেস বোলিং। চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়াম-এর উইকেট ঐতিহ্যগতভাবে ব্যাটসম্যানবান্ধব হলেও এবার নজর থাকবে পেসারদের পারফরম্যান্সে।
মাঠে ঘাসের উপস্থিতি কম থাকলেও উইকেটে কিছুটা সবুজ আভা রয়েছে, যা বোলারদের জন্য সহায়ক হতে পারে। তবে অতীত পরিসংখ্যান বলছে, এখানকার উইকেট সাধারণত বড় রান করার জন্য উপযোগী।
সিরিজের আগের দুই ম্যাচেই বাংলাদেশের হয়ে মূল লড়াইটা করেছেন পেসাররা। প্রথম ম্যাচে শরীফুল ইসলাম কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও দ্বিতীয় ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন নাহিদ রানা, যিনি প্রায় একাই ভেঙে দেন নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপ।
তৃতীয় ম্যাচেও তার দিকেই তাকিয়ে থাকবে দল। ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে বল করে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলার ক্ষমতা তাকে দলের বড় অস্ত্র হিসেবে গড়ে তুলেছে।
ব্যাটিং বিভাগে ধারাবাহিকতা না থাকায় কিছুটা দুশ্চিন্তা রয়েছে। একই সঙ্গে স্পিনার রিশাদ হোসেন ও মেহেদী হাসান মিরাজ এখনো প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফরম্যান্স দিতে পারেননি।
তবে স্বস্তির খবর হলো, ইনজুরি কাটিয়ে দলে ফেরার প্রস্তুতি নিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। পেস বোলিং কোচ শন টেইট জানিয়েছেন, তিনি খেলার জন্য প্রস্তুত।
বাংলাদেশের কোচিং স্টাফ পেসারদের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখছেন। প্রধান কোচ ফিল সিমন্স ও শন টেইট দুজনই মনে করেন, ঢাকার ভিন্ন উইকেটেও যেভাবে পেসাররা মানিয়ে নিয়েছে, চট্টগ্রামেও তারা সফল হতে পারবে।
অন্যদিকে নিউজিল্যান্ড তুলনামূলক চাপমুক্ত অবস্থায় খেলছে। তবে তাদের লক্ষ্যও পরিষ্কার—বাংলাদেশে সিরিজ জয়। কিউই বোলারদের মতে, এই সিরিজ জিততে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে।
সব মিলিয়ে, সিরিজ জয়ের লড়াইয়ে বাংলাদেশের বড় ভরসা পেস আক্রমণ। তবে জিততে হলে ব্যাটসম্যানদেরও দায়িত্ব নিতে হবে।
















