ইরান দাবি করেছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের দুটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে। এর মধ্যে একটি দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে এবং আরেকটি হরমুজ প্রণালীর কাছাকাছি এলাকায় বিধ্বস্ত হয়েছে।
ইরানের সামরিক বাহিনীর এক মুখপাত্র জানান, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস করেছে। পরে তারা আরও দাবি করে, একটি এ-১০ বিমানেও আঘাত হানা হয়েছে, যা উপসাগরে বিধ্বস্ত হয়েছে।
মার্কিন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এ-১০ বিমানের পাইলট নিরাপদ রয়েছেন। তবে এফ-১৫ বিমানের অন্তত একজন ক্রু সদস্য এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। অন্য একজনকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এই ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্র উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে নিখোঁজ পাইলটকে খুঁজে বের করার জন্য।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, এই ঘটনা ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য আলোচনায় কোনো প্রভাব ফেলবে না। তার ভাষায়, “এটা যুদ্ধ, আমরা যুদ্ধের মধ্যেই আছি।”
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে বিধ্বস্ত বিমানের ধ্বংসাবশেষের ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে একটি প্যারাস্যুটসহ ইজেকশন সিটও দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়।
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ-বাঘের গালিবাফ এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করেছেন। তিনি ট্রাম্পের যুদ্ধজয়ের দাবিকে ব্যঙ্গ করে মন্তব্য করেন।
তবে এ বিষয়ে এখনো মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
এর আগে যুদ্ধ শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছিল, তারা ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে। কিন্তু এই ঘটনার পর সেই দাবি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা যুদ্ধের উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
















