ইরানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী কামাল খারাজি তার বাসভবনে হামলার ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন। এই হামলায় তার স্ত্রী নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম।
রাজধানী তেহরানে তার বাড়িতে বিমান হামলা চালানো হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এই ঘটনাকে সম্ভাব্য হত্যাচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে, যদিও হামলার পেছনে কারা রয়েছে তা এখনও নিশ্চিত হয়নি।
একই সময়ে দেশজুড়ে বিভিন্ন স্থানে হামলা অব্যাহত রয়েছে। তেহরান, ইসফাহান ও শিরাজসহ একাধিক এলাকায় বিমান হামলার খবর পাওয়া গেছে।
ইরানের সামরিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তাদের প্রতিরোধ অব্যাহত থাকবে এবং আরও কঠোর হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
তাদের দাবি, প্রতিপক্ষ ইরানের সামরিক সক্ষমতাকে অবমূল্যায়ন করছে এবং ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত ও শক্তিশালী পাল্টা আক্রমণ চালানো হবে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শিগগিরই লক্ষ্য অর্জনের কাছাকাছি পৌঁছাবে।
বর্তমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত ইরানে দুই হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। পাল্টা হামলায় ইসরায়েলেও হতাহতের ঘটনা ঘটছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের লক্ষ্যভিত্তিক হামলা এবং উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিদের ওপর আক্রমণ সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলছে এবং উত্তেজনা বাড়িয়ে দিচ্ছে।
এদিকে ইরান সতর্ক করে জানিয়েছে, দেশে এ ধরনের হামলা অব্যাহত থাকলে তারা যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে আঘাত হানতে পারে, যা পরিস্থিতিকে আরও বিস্ফোরক করে তুলতে পারে।
















