এমি পুরস্কারজয়ী অভিনেত্রী ক্যাথরিন ও’হারার মৃত্যুতে শোক ও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন পেদ্রো পাসকাল, মেরিল স্ট্রিপ, বেন স্টিলারসহ হলিউডের বহু তারকা। ৭১ বছর বয়সে শুক্রবার লস অ্যাঞ্জেলেসে নিজ বাসভবনে সংক্ষিপ্ত অসুস্থতার পর তিনি মারা যান বলে তার এজেন্ট নিশ্চিত করেছেন।
কানাডায় জন্ম নেওয়া ক্যাথরিন ও’হারা বীটলজুস ও হোম অ্যালোন চলচ্চিত্রের পাশাপাশি টেলিভিশন ধারাবাহিক শিটস ক্রিক ও দ্য স্টুডিওতে অভিনয়ের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।
মেরিল স্ট্রিপ বলেন, ক্যাথরিন তার অভিনীত বিচিত্র চরিত্রগুলোর মাধ্যমে বুদ্ধিদীপ্ত মানবিকতা, ভালোবাসা ও আলো ছড়িয়ে দিয়েছেন। দ্য লাস্ট অব আস ধারাবাহিকে সহশিল্পী পেদ্রো পাসকাল জানান, তার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়ে তিনি আজীবন কৃতজ্ঞ থাকবেন। বেন স্টিলার বলেন, কমেডিতে তার প্রভাব ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন, তার কাছে তিনি ছিলেন অতুলনীয়।
অভিনেতা মাইকেল কিটন, যিনি বীটলজুস চলচ্চিত্রে তার সহশিল্পী ছিলেন, বলেন ক্যাথরিন ছিলেন তার দীর্ঘদিনের বন্ধু এবং তাকে খুব মিস করবেন। পরিচালক টিম বার্টনও সামাজিক মাধ্যমে শোক প্রকাশ করে বলেন, ক্যাথরিন সবার জীবনে আলো এনে দিয়েছিলেন।
হোম অ্যালোন চলচ্চিত্রে তার পর্দাপুত্র ম্যাকাওলে কালকিন আবেগঘন বার্তায় বলেন, তিনি আরও সময় চেয়েছিলেন, আরও কথা বলতে চেয়েছিলেন, এবং তাকে গভীরভাবে ভালোবাসেন।
শিটস ক্রিক ধারাবাহিকে তার সহশিল্পী ও সহনির্মাতা ড্যান লেভি বলেন, পর্দায় পরিবারের ভূমিকায় অভিনয়ের আগেই ক্যাথরিন তার পরিবারের অংশ ছিলেন। ইউজিন লেভি, যিনি ওই ধারাবাহিকে তার স্বামী চরিত্রে অভিনয় করেন, বলেন তার সঙ্গে বন্ধুত্ব ও কাজের স্মৃতি আজীবন মনে থাকবে।
অভিনেত্রী অ্যানি মারফি জানান, ক্যাথরিনের হাসি সবাইকে আনন্দে শামিল হতে আহ্বান জানাত। পরিচালক ও অভিনেতা ক্রিস্টোফার গেস্ট তাকে তার সময়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কমেডি অভিনেত্রী হিসেবে উল্লেখ করেন।
কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো তাকে প্রিয় কানাডীয় আইকন বলে অভিহিত করেন, আর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেন দেশটি এক কিংবদন্তিকে হারাল।
ক্যাথরিন ও’হারা ১৯৯২ সালে বিয়ে করা স্বামী বো ওয়েলচ, দুই পুত্র ম্যাথিউ ও লুক এবং ছয় ভাইবোন রেখে গেছেন।
















