প্রথম ধাপে ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, ধাপে ধাপে আসবে প্রায় ২০০ জন
বাংলাদেশের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণে নিরাপত্তা নিয়ে এখনই ‘অতি সতর্কতার’ প্রয়োজন দেখছে না ইউরোপীয় ইউনিয়ন। প্রথম ধাপে ৫৬ জন দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষক মোতায়েন করা হয়েছে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণে ইউরোপীয় ইউনিয়ন-এর নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনের প্রথম ধাপে ৫৬ জন পর্যবেক্ষক মোতায়েন করা হয়েছে। ধাপে ধাপে এই সংখ্যা বাড়িয়ে প্রায় ২০০ জনে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ইইউ।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মিশনের উপ-প্রধান পর্যবেক্ষক ইন্তা লাসে বলেন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে এই মুহূর্তে কোনো নিরাপত্তা শঙ্কা নেই এবং ‘অতি সতর্কতার’ প্রয়োজন দেখছে না মিশনটি।
নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমরা প্রত্যাশা করছি না যে নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আমাদের কোনো সিকিউরিটি অ্যালার্ট জারি করতে হবে। আমাদের নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। এই মুহূর্তে অতিরিক্ত সতর্কতার প্রয়োজন দেখছি না।”
তিনি জানান, এরই মধ্যে সারাদেশে ৫৬ জন দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষক মোতায়েন করা হয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পর্যবেক্ষকের সংখ্যা বাড়ানো হবে। ভোটের আগে আরও ৯০ জন স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষক যুক্ত হবেন।
ইন্তা লাসে আরও জানান, ২০০৮ সালের পর এই প্রথম বাংলাদেশে পূর্ণাঙ্গ নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশন পাঠাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এই মিশনে ইইউর ২৭টি সদস্য দেশের পাশাপাশি কানাডা, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ডের পর্যবেক্ষকরাও অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।
পূর্ণ সক্ষমতার মিশনে ঢাকাভিত্তিক ১১ সদস্যের একটি কোর টিম, ৫৬ জন দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষক এবং ভোটের আগে মোতায়েনযোগ্য ৯০ জন স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষক কাজ করবেন। পাশাপাশি ইইউ সদস্য রাষ্ট্র ও অংশীদার দেশগুলোর কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধিরাও পর্যবেক্ষণে যুক্ত থাকবেন বলে জানান তিনি।
















