ঝিনাইদহ-১ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা; রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হচ্ছে পদত্যাগপত্র
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার লক্ষ্যে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান পদত্যাগ করেছেন। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নিয়োগ পাওয়া এই শীর্ষ আইন কর্মকর্তা এখন সরাসরি নির্বাচনী রাজনীতিতে নামছেন।
২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ | সকাল ৮:১৫ মিনিট
অনলাইন ডেস্ক
অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামানের পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জহিরুল ইসলাম সুমন। তিনি জানান, আসন্ন নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আইনি বাধ্যবাধকতা ও রাজনৈতিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। শিগগিরই তার পদত্যাগপত্রটি রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য বঙ্গভবনে পাঠানো হবে।
ঝিনাইদহ-১ আসন থেকে লড়াইয়ের প্রস্তুতি
এর আগে গত ৫ নভেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছিলেন যে, তিনি ঝিনাইদহ-১ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। দলীয় মনোনয়ন ও নির্বাচনী প্রচারণায় পূর্ণ মনোযোগ দিতেই নির্বাচনের অন্তত কয়েক মাস আগে তিনি পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন। উল্লেখ্য, আসাদুজ্জামান বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
৫ আগস্ট পরবর্তী নিয়োগ ও অবদান
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট রাষ্ট্রীয় এই গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ পান সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামান। গত কয়েক মাসে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে তিনি গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু আইনি সংস্কার ও মামলার তদারকি করেছেন। তার পদত্যাগের ফলে এখন রাষ্ট্রের নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল কে হচ্ছেন, তা নিয়ে বিচার বিভাগে গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
আইনি ও রাজনৈতিক মহলে প্রতিক্রিয়া
অ্যাটর্নি জেনারেলের মতো একটি অরাজনৈতিক ও সাংবিধানিক পদ থেকে সরাসরি নির্বাচনী লড়াইয়ে নামার ঘটনাটি দেশের রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচিত হচ্ছে। আইনি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে তার এই আগাম পদত্যাগ একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। এখন দেখার বিষয়, তার স্থলাভিষিক্ত কে হন এবং আগামী নির্বাচনে ঝিনাইদহের মাঠে তিনি কেমন প্রভাব ফেলেন।















