কেওক্রাডং বাংলাদেশের ১৫তম পরিচ্ছন্নতা অভিযান; ৫০০-র বেশি স্বেচ্ছাসেবীর অংশগ্রহণে সৈকত ও অলিগলি থেকে ১৮৫০ কেজি অপচনশীল বর্জ্য সংগ্রহ।
সেন্টমার্টিন দ্বীপে দুই দিনব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযানে প্রায় ৪৭ মন প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণ করেছে কেওক্রাডং বাংলাদেশ। ৫০০-র বেশি স্বেচ্ছাসেবীর অংশগ্রহণে সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে ১৮৫০ কেজি বর্জ্য।
সেন্টমার্টিনে দুই দিনব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযানে প্রায় ৪৭ মন প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণ করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কেওক্রাডং বাংলাদেশ। দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপে এটি সংগঠনটির ১৫তম পরিচ্ছন্নতা উদ্যোগ। শনিবার বিকেলে অপারেশনটির সমাপ্তি ঘটে।
ইউনিলিভার বাংলাদেশের সহযোগিতায় আয়োজিত এই অভিযানে স্থানীয় বাসিন্দা, বিভিন্ন পেশাজীবী এবং সেন্টমার্টিনের স্কুল–মাদরাসার শিক্ষার্থীসহ পাঁচ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবী অংশ নেন। দ্বীপের অলিগলি, বাজার ও সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন অংশ থেকে প্লাস্টিক বোতল, প্যাকেটসহ নানা ধরনের অপচনশীল বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়।
কেওক্রাডং বাংলাদেশের সমন্বয়কারী মুনতাসির মামুন জানান, দুই দিনে মোট ১৮৫০ কেজি প্লাস্টিক ও কঠিন বর্জ্য অপসারণ করা সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, “সেন্টমার্টিনের মতো ছোট দ্বীপে পড়ে থাকা প্লাস্টিক যদি মূল ভূখণ্ডে না আনা হয় তবে এর প্রভাব দ্বীপ ছাড়িয়ে বঙ্গোপসাগরের ইকোসিস্টেমেও ছড়িয়ে পড়বে।”
এর আগেও সংগঠনটি দ্বীপে একাধিকবার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে বলে জানান তিনি।
সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম বলেন, কেওক্রাডং বাংলাদেশের এই উদ্যোগ দ্বীপের পরিবেশ রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয় ও পর্যটকদের কারণে সৈকতে জমে থাকা ময়লা–আবর্জনা অপসারণে এ ধরনের অভিযান দ্বীপের সৌন্দর্য ধরে রাখতে সহায়তা করছে।
প্রতিবছর হাজারো পর্যটক সেন্টমার্টিনে ভ্রমণে আসেন, ফলে বর্জ্যের পরিমাণও বাড়ছে। এসব অপচনশীল বর্জ্য দ্রুত অপসারণ এবং সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
















