দীর্ঘ এক দশকের অপেক্ষার পর বৈশ্বিক ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মের অগ্রগতি; কৃষিঋণ, এসএমই অর্থায়ন ও ডিজিটাল পেমেন্টের চ্যালেঞ্জ নিয়েও কথা বলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর।
বাংলাদেশে কার্যক্রম চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে পেপাল—এ তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে জানান বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ. মঞ্জুর। ডিজিটাল পেমেন্ট শক্তিশালী করা, কৃষিঋণ বৃদ্ধি ও এসএমই খাতের উন্নয়ন নিয়েও তিনি মত দেন।
বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বৈশ্বিক ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম পেপাল। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এ উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক অগ্রগতি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ. মঞ্জুর। মঙ্গলবার রাজধানীতে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ও চ্যানেল আই আয়োজিত “অ্যাগ্রো অ্যাওয়ার্ড ২০২৫” অনুষ্ঠানে তিনি এ ঘোষণা দেন।
গভর্নর জানান, বহু বছর ধরে আলোচনার পর অবশেষে পেপাল বাংলাদেশে সেবা চালুর জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া এগিয়ে নিচ্ছে। প্রায় এক দশক আগে, ২০১৫ সালে প্রথমবার দেশের জন্য পেপাল সেবা চালুর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও তা নানা কারণে স্থবির হয়ে ছিল। এবার সেই উদ্যোগ বাস্তবায়নের পথে অগ্রগতি হওয়ায় তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে দেশের আর্থিক খাতের চ্যালেঞ্জ নিয়েও কথা বলেন গভর্নর। তিনি বলেন, দেশের কৃষি খাত জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও মোট ঋণের মাত্র দুই শতাংশ কৃষিঋণের আওতায় পড়ে—যা বাড়ানো জরুরি। পাশাপাশি এসএমই খাতের জন্য অর্থায়ন আরও সম্প্রসারণ এবং নগদনির্ভরতা কমাতে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
গভর্নর বাংলাদেশের খাদ্যশস্য উৎপাদনে স্বাধীনতার পর অর্জিত অগ্রগতিকেও একটি উল্লেখযোগ্য জাতীয় সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, কৃষি খাতের সম্ভাবনা যদি বিনিয়োগ ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে আরও প্রসারিত করা যায়, তাহলে সামগ্রিক অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আসবে।















