ভুয়া তথ্য, প্রতারণা বা ঘুষ—কঠোর শাস্তির বিধান যুক্ত করল জার্মানির নিরাপদ উৎস দেশ আইন
জার্মান নাগরিকত্বের আবেদনে ভুল বা ভুয়া তথ্য দিলে মিলবে ১০ বছরের নিষেধাজ্ঞা—বলে জানিয়েছে বুন্ডেসটাগের অভ্যন্তরীণ কমিটি। ভুয়া ভাষাসনদ জমাদানসহ বাড়তে থাকা জালিয়াতি ঠেকাতে আসছে কঠোর আইন। বিস্তারিত জানুন।
জার্মান নাগরিকত্ব অর্জনের প্রক্রিয়ায় ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিলে künftig সর্বোচ্চ ১০ বছরের নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হতে হবে আবেদনকারীকে। নতুন নিরাপদ উৎস দেশ নির্ধারণ সংক্রান্ত আইনের খসড়ায় এ বিধান যোগ করা হয়েছে, যা বুধবার বুন্ডেসটাগের অভ্যন্তরীণ কমিটিতে অনুমোদন পায়।
আইনপ্রণেতারা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে জার্মানির কয়েকটি রাজ্যে নাগরিকত্বের আবেদনপত্রে জার্মান ভাষা শিক্ষার ভুয়া সনদ জমা দেওয়ার ঘটনা ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। এতে সম্পৃক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। এই জালিয়াতি রোধ করতেই কঠোর শাস্তির বিধান যুক্ত হয়েছে নতুন আইনে।
কমিটির ভোটাভুটিতে সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট, অলটারনেটিভ ফর জার্মানি (AfD) ও অন্যান্য রক্ষণশীল সদস্যরা সংশোধনীর পক্ষে মত দেন। তবে গ্রিনস ও ডি লিংকে সদস্যরা এর বিরোধিতা করেন।
খসড়া অনুযায়ী, নাগরিকত্ব আবেদনকালে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য, ভুয়া নথি প্রদান, প্রতারণা, হুমকি কিংবা ঘুষের মতো কর্মকাণ্ড প্রমাণিত হলে আবেদনকারী ১০ বছর পর্যন্ত নাগরিকত্ব প্রক্রিয়া থেকে নিষিদ্ধ থাকবেন। সরকারের মতে, এই বিধান নাগরিকত্ব ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করবে এবং জালিয়াতি রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
এছাড়া খসড়ায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের প্রস্তাব এসেছে—অনিয়মিত অভিবাসী ও প্রত্যাখ্যাত আশ্রয়প্রার্থীদের বহিষ্কারের আগে রাষ্ট্রীয় অর্থে আইনি সহায়তা প্রদানের বিধান বাতিল করতে চায় সরকার। গত এক বছর ধরে জার্মানি এই সুবিধা দিয়ে আসছিল।
শুক্রবার পার্লামেন্টের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে বিলটি নিয়ে আলোচনা ও ভোটাভুটি হওয়ার কথা রয়েছে। অনুমোদিত হলে নতুন এই আইন জার্মানির অভিবাসন কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে।
















