গরু আনতে সীমান্তে গেলে বিএসএফের গুলিতে নিহত হন লালমনিরহাটের সবুজ; লাশ নিয়ে যায় ভারতীয় বাহিনী—বিজিবির প্রতিবাদ নোট, পতাকা বৈঠকের আহ্বান।
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে গরু আনতে গিয়ে বিএসএফের গুলিতে নিহত হন সবুজ নামে এক বাংলাদেশি যুবক। গুলির পর লাশ ভারতে নিয়ে যায় বিএসএফ। বিজিবি প্রতিবাদ নোট পাঠিয়ে পতাকা বৈঠকের আহ্বান করেছে।
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার শমসেরনগর সীমান্তে গরু আনতে গিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তি ২২ বছর বয়সী সবুজ, উপজেলার পচাভাণ্ডার এলাকার সেরাজুল ইসলামের ছেলে।
বিজিবি জানায়, মঙ্গলবার গভীর রাতে সবুজ সীমান্তের ৮৬৪ নম্বর মেইন পিলারের কাছে অবস্থান করলে ভারতের চেনাকাটা ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। গুলির পরপরই বিএসএফ সবুজের লাশ ভারতের ভেতরে নিয়ে যায়।
শমসেরনগর বিওপি–র কমান্ডার কামাল উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনায় বিএসএফের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ নোট পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে সকাল সাড়ে ১০টায় কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হয়েছে।
৬১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুজাহিদ মাসুম জানান, সবুজের লাশ পশ্চিমবঙ্গের মাথাভাঙ্গা থানার মাধ্যমে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবিও জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
সীমান্তে গরু আনার মতো ঝুঁকিপূর্ণ পথে বহু বছর ধরেই বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। সর্বশেষ এই ঘটনা দুই দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আবারও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে।
















