ঢাকা, অক্টোবর ৪, ২০২৫ — বাংলাদেশে ব্যবসা ও বিনিয়োগের পরিবেশের উপর রাজনীতির প্রভাব নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ, দলীয় অঙ্গীকার এবং দফায় দফায় নীতি পরিবর্তনের কারণে দেশের অর্থনীতি দীর্ঘদিন ধরে স্থিতিশীলভাবে বিকাশে ব্যর্থ হচ্ছে।
স্বাধীনতার পর থেকে রাজনৈতিক দিক পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ব্যবসায়িক সুযোগও প্রায়শই ব্যাহত হয়েছে। ১৯৭১-এর পর সমাজতান্ত্রিক নীতি বেঁধে দেওয়ায় ব্যক্তিগত উদ্যোগে বাধা সৃষ্টি হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে মুক্ত বাজারনীতির শুরুতে উদ্যোক্তারা অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন, তবে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ, লোভনীয় রাজনৈতিক সুবিধা এবং কর, ঋণ ও প্রশাসনিক বাধার কারণে অনেক উদ্যোক্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

গত ১৪ মাসে কয়েক হাজার শিল্প কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে লাখ লাখ শ্রমিক বেকার হয়েছে। উদ্যোক্তাদের ব্যাংক হিসাব দীর্ঘ সময় ধরে凍 করা হয়েছে, এবং আগুন, লুটপাট এবং বাধ্যতামূলক বন্ধের ঘটনা সাধারণ হয়েছে। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের ফলে দেশের প্রাইভেট সেক্টর এখন অনিশ্চিত ও আতঙ্কিত।
ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতিতে ব্যবসায়ীদের প্রতি সমর্থনের কোনো স্পষ্ট রূপরেখা নেই। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, যদি উদ্যোক্তাদের ক্ষমতায়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত না করা হয়, তবে অর্থনীতি আরও সংকটে পড়বে এবং রাজনীতিও এর প্রভাব থেকে মুক্ত থাকবে না।
বাংলাদেশের স্বপ্নীল “নতুন বাংলাদেশ” বিনিয়োগ-বান্ধব রাজনীতির অভাবে ঝুঁকির মুখে রয়েছে।
















