ব্রুকলিনের চট্টগ্রাম ভবনে এ আয়োজন করে চট্টগ্রাম সমিতি।
নিউ ইয়র্ক সিটি কাউন্সিলে প্রথম মুসলিম ও প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান কাউন্সিলওম্যান হিসেবে শাহানা হানিফ দ্বিতীয় মেয়াদে পুনর্নির্বাচিত হওয়ায় তাকে সংবর্ধনা দিয়েছে প্রবাসীরা।
সোমবার ব্রুকলিনের চট্টগ্রাম ভবনে এ আয়োজন করে চট্টগ্রাম সমিতি।
এতে শাহানা হানিফ বলেন, “গত চার বছরে প্রগতিশীল নাগরিকদের অধিকার ও মর্যাদা আদায়ের প্রশ্নে সিটি মেয়রের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে লড়াই করতে হয়েছে। আসছে জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম মেয়র হিসেবে জোহরান মামদানি দায়িত্ব গ্রহণ করলে এ পরিস্থিতির ইতিবাচক পরিবর্তন হবে।”
শাহানা আরো বলেন, “বাংলাদেশি কমিউনিটি নিউ ইয়র্কের দ্রুতবর্ধনশীল অভিবাসী সম্প্রদায়ের অন্যতম অগ্রগামী শক্তি। সাম্প্রতিক নির্বাচনেও এর প্রমাণ মিলেছে।”
রাজনৈতিক অংশগ্রহণকে তিনি ‘আমেরিকান সমাজে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করার প্রধান মাধ্যম’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
পদাধিকার সীমাবদ্ধতার কারণে একই আসনে তৃতীয়বার প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ না থাকায় ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আগামী চার বছরের কাজের ভিত্তিতেই পরবর্তী সময়ে সিটি কম্পট্রোলার, মেয়র বা কংগ্রেস–যেকোনো একটি আসনে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নেবেন।”
শহরে ট্যাক্সি ড্রাইভার, ডেলিভারিম্যান ও রেস্টুরেন্টকর্মীদের বকেয়া মজুরি আদায়সহ শ্রমজীবী মানুষের অধিকারের পক্ষে তার অবস্থান বজায় থাকবে বলে জানান তিনি।
সম্প্রতি ব্রুকলিনের একটি রেস্টুরেন্টে বাংলাদেশি শ্রমিকদের প্রায় তিন মিলিয়ন ডলার বকেয়া বেতন আদায়ে তার অফিসের সহায়তার কথাও অনুষ্ঠানে উল্লেখ করা হয়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সময় অভিবাসন দমন নীতিতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের আইনি সহায়তা, গৃহায়নসংক্রান্ত জটিলতায় ভাড়াটে ও মালিকদের পরামর্শদানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তার অফিস কাজ করছে।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম সমিতির সভাপতি আবু তাহের, সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম আরিফ।
অনুষ্ঠানে শাহানা হানিফকে সমিতির ‘আজীবন সম্মাননা সদস্য’ পদে মনোনীত করা হয় এবং পদক দেওয়া হয়।
















