ঢাকায় ভূমিকম্পের আতঙ্কে সিঁড়ি বেয়ে নামতে গিয়ে আহত হয়েছেন বহু মানুষ। জাতীয় পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ৯০ জন, ভর্তি ১৮ জন। আতঙ্ক নয়—সচেতনতা জীবন বাঁচাতে পারে, বলছে বিশেষজ্ঞরা।
দৌড়ে সিঁড়ি বেয়ে নামতে গিয়ে হাত–পা ভাঙা ও আঘাতে ভরছে জাতীয় পঙ্গু হাসপাতাল
ঢাকা—আজ সকালে হওয়া শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর রাজধানীজুড়ে দেখা দিয়েছে চরম আতঙ্ক। ভবন দুলতে শুরু করতেই বহু মানুষ দ্রুত সিঁড়ি বেয়ে নেমে আসেন, আর সেই হুড়োহুড়িতেই ঘটে একের পর এক দুর্ঘটনা। দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ৯০ জনেরও বেশি আহত রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন জাতীয় পঙ্গু হাসপাতালে, যাদের মধ্যে ১৮ জন ভর্তি হয়েছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়,
বেশিরভাগ রোগীই আতঙ্কে দ্রুত নিচে নামতে গিয়ে হাত–পা ভেঙেছেন, কারও শরীরের জোড়া সরে গেছে, অনেকে ভারী বস্তু চাপা পড়ে আঘাত পেয়েছেন। রোগীদের চাপ দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় অতিরিক্ত চিকিৎসক, নার্স এবং সাপোর্ট স্টাফ যুক্ত করা হয়েছে।
পঙ্গু হাসপাতালের পরিচালক ডা. কেনান বলেন,
“এত অল্প সময়ে এত বেশি রোগী আসায় চাপ বেড়েছে, তবে সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে। কেউ চিকিৎসাবঞ্চিত হবেন না।”
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, ভূমিকম্প-পরবর্তী মেডিকেল ইমার্জেন্সি টিম এখন সম্পূর্ণ সক্রিয়। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, ভূমিকম্পে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হয় আতঙ্কে দৌড়াদৌড়িতে; তাই সচেতনতা এবং স্থিরতা জীবন বাঁচাতে পারে।
















