চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং ও লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশিদের কাছে হস্তান্তরের প্রতিবাদে স্কপের মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সিদ্ধান্ত না বদলালে হরতাল-অবরোধের মতো কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছে শ্রমিক সংগঠনগুলো।
বাংলাদেশ দূতাবাস এবং আচট্টগ্রাম বন্দরের বিদেশি হস্তান্তর পরিকল্পনার বিরুদ্ধে স্কপের মশাল মিছিল, হরতালের হুঁশিয়ারি
চট্টগ্রাম, ১৬ নভেম্বর ২০২৫ — চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) এবং লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশি কোম্পানির কাছে হস্তান্তরের সরকারি প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল বন্দর এলাকা। শনিবার সন্ধ্যায় শহরের নতুন বাজার মোড়ে শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ) হাজারো শ্রমিককে নিয়ে মশাল মিছিল বের করে।
সমাবেশে স্কপের যুগ্ম সমন্বয়ক কাজী শেখ নুরুল্লা বাহার অভিযোগ করেন,
“চট্টগ্রাম বন্দর লাভজনক প্রতিষ্ঠান। তারপরও বিনা দরপত্রে বিদেশি কোম্পানিকে টার্মিনাল হস্তান্তরের চেষ্টা চলছে। পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের নেওয়া উদ্যোগই এখন এই সরকার বাস্তবায়ন করছে।”
নেতারা সতর্ক করে বলেন,
সরকার সিদ্ধান্ত না বদলালে হরতাল–অবরোধসহ আরও কঠোর আন্দোলন হবে।
বিদেশিদের হাতে টার্মিনাল হস্তান্তর দ্রুত এগোচ্ছে
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী:
- লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল—৩৩ বছরের জন্য ডেনমার্কের APM Terminals-এর কাছে পরিচালনার চুক্তি হচ্ছে।
- পানগাঁও নৌ টার্মিনাল—সুইজারল্যান্ডের MEDLOG SA-এর কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া প্রায় সম্পন্ন।
- এনসিটি—সংযুক্ত আরব আমিরাতের DP World-এর সঙ্গে দর-কষাকষি চলছে; ডিসেম্বরেই চূড়ান্ত হতে পারে।
স্কপ নেতারা দাবি করেন, বিদেশিদের হাতে টার্মিনাল হস্তান্তর জাতীয় নিরাপত্তা, অর্থনীতি এবং শ্রমবাজারকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে।
২২ নভেম্বর শ্রমিক কনভেনশন
বিক্ষোভ শেষে স্কপ জানায়, ২২ নভেম্বর চট্টগ্রামে “শ্রমিক কনভেনশন” অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।ইওএম ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করছে।
















