মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘চাপ সৃষ্টি–আলোচনা–আবার চাপ’ কৌশল ইরানের সঙ্গে চলমান সংকটের স্থায়ী সমাধান আনতে পারবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, সামরিক অভিযান স্থগিত করে আলোচনায় ফেরার এই পদ্ধতি স্বল্পমেয়াদে উত্তেজনা কমালেও মূল বিরোধগুলোর সমাধান এখনও অধরাই রয়ে গেছে।
বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্প একাধিকবার ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ স্থগিত করে আলোচনার পথ বেছে নিয়েছেন। তবে হরমুজ প্রণালিতে অবাধ নৌচলাচল, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো এখনও অমীমাংসিত রয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের ব্যবসাভিত্তিক দর-কষাকষির কৌশল ইরানের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত ধৈর্য ও আদর্শিক রাজনৈতিক কাঠামোর সঙ্গে সহজে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ফলে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনার অগ্রগতি বারবার থেমে যাচ্ছে এবং আঞ্চলিক অনিশ্চয়তা আরও দীর্ঘায়িত হচ্ছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সামরিক চাপ ও অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির ধারাবাহিকতা স্বল্পমেয়াদে উত্তেজনা কমাতে সাহায্য করলেও এতে ইরানের আঞ্চলিক প্রভাব কিংবা পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়ে মৌলিক বিরোধের সমাধান হয়নি। বরং হরমুজ প্রণালিতে নৌপরিবহন ও বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা এখনও বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে রয়েছে।
বিশ্লেষণের উপসংহারে বলা হয়েছে, প্রকৃত অগ্রগতি নির্ভর করবে কেবল নতুন কোনো সমঝোতা স্মারক বা সাময়িক যুদ্ধবিরতির ওপর নয়, বরং হরমুজ প্রণালিতে অবাধ নৌচলাচল এবং ইরান–যুক্তরাষ্ট্রের মূল বিরোধগুলোর টেকসই রাজনৈতিক সমাধানের ওপর।















