ইরাকে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিভিন্ন ঘাঁটিতে সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাগদাদ। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলাকে দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার স্পষ্ট লঙ্ঘন আখ্যা দিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ জরুরি বৈঠক করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরাকের প্রধানমন্ত্রী এই ঘটনার প্রতিবাদে তাঁর নির্ধারিত সৌদি আরব সফর বাতিল করেছেন। সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, হামলার যৌক্তিকতা প্রমাণে এখন পর্যন্ত কোনো গ্রহণযোগ্য তথ্য বা প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।
অন্যদিকে সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, সাম্প্রতিক ড্রোন হামলা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা হুমকির জবাব হিসেবে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অবস্থান লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানো হয়েছে। তবে অভিযুক্ত গোষ্ঠীগুলো এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং সৌদি আরবের বক্তব্যকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলায় ইরাকের বিভিন্ন এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যদের হতাহতের খবর পাওয়া গেছে। ঘটনার পর রাজধানী বাগদাদসহ কয়েকটি স্থানে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং হামলার প্রতিক্রিয়ায় পাল্টা পদক্ষেপের দাবিও উঠেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনার ফলে ইরাক, সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নতুন মাত্রা পাওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।















