Dhaka ১১:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

মেঘনায় ট্রলারডুবি: নিখোঁজ বাবার লাশ উদ্ধার, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:০৫:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১১ বার দেখা হয়েছে

কুমিল্লা থেকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে আত্মীয়ের বিয়েতে যাওয়ার পথে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ হেলাল উদ্দিনের (৫৪) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ জনে।

আজ সোমবার দুপুরে সোনারগাঁয়ের মেঘনা নদীর শাখা নদী মারিখালীর রতনপুর ব্রিজের নিচ থেকে নিখোঁজের চার দিন পর তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

বৈদ্যেরবাজার নৌ পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক শাহ কামাল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিখোঁজ হেলাল উদ্দিনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় আর কেউ নিখোঁজ নেই। ট্রলারডুবির ঘটনায় একটি দুর্ঘটনাজনিত মামলা হয়েছে।

এর আগে গত শুক্রবার রাতে ও শনিবার সকালে সোনারগাঁয়ের মেঘনা নদী থেকে একই পরিবারের নিখোঁজ তিন ভাইবোনের লাশ উদ্ধার করা হয়। তারা হলেন হেলাল উদ্দিনের মেয়ে সামিয়া আক্তার (১৭) এবং দুই ছেলে সজীব হোসেন (২৪) ও সামিন হোসেন (৫)। এছাড়া ঘটনার দিন রাশিদা বেগম (৪০) নামের এক নারীর লাশও উদ্ধার করা হয়। নিহতরা সবাই কুমিল্লার হোমনা উপজেলার শ্রীমদ্দি গ্রামের বাসিন্দা।

নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে কুমিল্লার হোমনার শ্রীমদ্দি গ্রাম থেকে সোনারগাঁয়ের হাড়িয়া বৈদ্যেপাড়া গ্রামের শাহ পরানের মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ১৩ জন আত্মীয়স্বজন একটি ট্রলারে করে আসছিলেন। ট্রলারটিতে দুটি গরু ও একটি খাসিও ছিল।

সোনাময়ী এলাকায় আমান সিমেন্ট কোম্পানির কারখানার কাছে পৌঁছালে নদীতে হঠাৎ ঝোড়ো বাতাস শুরু হয়। এতে নদীতে বড় ঢেউ সৃষ্টি হলে ট্রলারে পানি উঠতে শুরু করে এবং একপর্যায়ে ট্রলারটি ডুবে যায়।

এ সময় কাছাকাছি থাকা আমান সিমেন্ট কারখানার একটি ট্রলার দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করে এবং আট জনকে জীবিত উদ্ধার করে। প্রায় আধাঘণ্টা পর নদী থেকে রাশিদা বেগমের লাশ উদ্ধার করা হয়। তখন চার জন নিখোঁজ ছিলেন। পরে আরও তিন জনের লাশ উদ্ধার করা হয় এবং আজ সোমবার হেলাল উদ্দিনের লাশ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে এ ঘটনায় আর কেউ নিখোঁজ নেই।

ট্রলারডুবির কারণ হিসেবে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ট্রলারটিতে ধারণক্ষমতার বেশি যাত্রী ও মালামাল তোলা হয়েছিল। ১৩ জন যাত্রী, দুটি গরু ও একটি খাসি নিয়ে নদী পার হওয়ার সময় ঝড় শুরু হলে ট্রলারটি ডুবে যায়। এছাড়া দুর্ঘটনার সময় ট্রলারের পাশে একটি নৌযান সহযোগিতা করতে চাইলেও ট্রলারের মাঝি কোনো সহযোগিতা নেননি বলে অভিযোগ রয়েছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

মেঘনায় ট্রলারডুবি: নিখোঁজ বাবার লাশ উদ্ধার, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:০৫:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কুমিল্লা থেকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে আত্মীয়ের বিয়েতে যাওয়ার পথে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ হেলাল উদ্দিনের (৫৪) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ জনে।

আজ সোমবার দুপুরে সোনারগাঁয়ের মেঘনা নদীর শাখা নদী মারিখালীর রতনপুর ব্রিজের নিচ থেকে নিখোঁজের চার দিন পর তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

বৈদ্যেরবাজার নৌ পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক শাহ কামাল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিখোঁজ হেলাল উদ্দিনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় আর কেউ নিখোঁজ নেই। ট্রলারডুবির ঘটনায় একটি দুর্ঘটনাজনিত মামলা হয়েছে।

এর আগে গত শুক্রবার রাতে ও শনিবার সকালে সোনারগাঁয়ের মেঘনা নদী থেকে একই পরিবারের নিখোঁজ তিন ভাইবোনের লাশ উদ্ধার করা হয়। তারা হলেন হেলাল উদ্দিনের মেয়ে সামিয়া আক্তার (১৭) এবং দুই ছেলে সজীব হোসেন (২৪) ও সামিন হোসেন (৫)। এছাড়া ঘটনার দিন রাশিদা বেগম (৪০) নামের এক নারীর লাশও উদ্ধার করা হয়। নিহতরা সবাই কুমিল্লার হোমনা উপজেলার শ্রীমদ্দি গ্রামের বাসিন্দা।

নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে কুমিল্লার হোমনার শ্রীমদ্দি গ্রাম থেকে সোনারগাঁয়ের হাড়িয়া বৈদ্যেপাড়া গ্রামের শাহ পরানের মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ১৩ জন আত্মীয়স্বজন একটি ট্রলারে করে আসছিলেন। ট্রলারটিতে দুটি গরু ও একটি খাসিও ছিল।

সোনাময়ী এলাকায় আমান সিমেন্ট কোম্পানির কারখানার কাছে পৌঁছালে নদীতে হঠাৎ ঝোড়ো বাতাস শুরু হয়। এতে নদীতে বড় ঢেউ সৃষ্টি হলে ট্রলারে পানি উঠতে শুরু করে এবং একপর্যায়ে ট্রলারটি ডুবে যায়।

এ সময় কাছাকাছি থাকা আমান সিমেন্ট কারখানার একটি ট্রলার দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করে এবং আট জনকে জীবিত উদ্ধার করে। প্রায় আধাঘণ্টা পর নদী থেকে রাশিদা বেগমের লাশ উদ্ধার করা হয়। তখন চার জন নিখোঁজ ছিলেন। পরে আরও তিন জনের লাশ উদ্ধার করা হয় এবং আজ সোমবার হেলাল উদ্দিনের লাশ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে এ ঘটনায় আর কেউ নিখোঁজ নেই।

ট্রলারডুবির কারণ হিসেবে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ট্রলারটিতে ধারণক্ষমতার বেশি যাত্রী ও মালামাল তোলা হয়েছিল। ১৩ জন যাত্রী, দুটি গরু ও একটি খাসি নিয়ে নদী পার হওয়ার সময় ঝড় শুরু হলে ট্রলারটি ডুবে যায়। এছাড়া দুর্ঘটনার সময় ট্রলারের পাশে একটি নৌযান সহযোগিতা করতে চাইলেও ট্রলারের মাঝি কোনো সহযোগিতা নেননি বলে অভিযোগ রয়েছে।