রাশিয়ার সরকার বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষার সুযোগ উন্মুক্ত করেছে। ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে দেশটি ব্যাচেলর, স্পেশালিটি ডিগ্রি, মাস্টার্স, রেসিডেন্সি প্রশিক্ষণ ও পিএইচডি পর্যায়ে ২০০টি পূর্ণ বৃত্তি প্রদান করবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা রাশিয়ার শিক্ষা ব্যবস্থা ও সংস্কৃতির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবেন।
আবেদন প্রক্রিয়া ও শর্তাবলি:
বৃত্তির আবেদন সম্পূর্ণভাবে অনলাইনে করতে হবে। নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদনপত্র পূরণ করা যাবে। আবেদন ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে, যা চলবে ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত।
আবেদনের আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত পূরণ করতে হবে। সব শিক্ষাগত সনদ ও মার্কশিটের মূল ও অনুলিপি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সত্যায়িত হতে হবে। পাশাপাশি পাসপোর্টের মেয়াদ ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে অন্তত ১৮ মাস থাকতে হবে।
অনলাইন আবেদন শেষ হওয়ার পর শিক্ষার্থীদের রাশিয়ান হাউস ইন ঢাকায় নিম্নলিখিত কাগজপত্র জমা দিতে হবে— অনলাইন আবেদনপত্রের কপি, শিক্ষাগত সনদের কপি, পাসপোর্টের ফটোকপি, স্বাস্থ্য সনদ, ব্যক্তিগত তথ্য প্রক্রিয়াকরণের সম্মতিপত্র এবং একটি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি।
অতিরিক্ত তথ্য সংগ্রহের সুযোগ:
আবেদন প্রক্রিয়া বিষয়ে বিস্তারিত জানতে শিক্ষার্থীরা প্রতি রোববার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে রাশিয়ান হাউস ইন ঢাকার শিক্ষা বিভাগে যোগাযোগ করতে পারবেন।
রাশিয়ায় উচ্চশিক্ষার গুরুত্ব ও সম্ভাবনা:
রাশিয়ার উচ্চশিক্ষা শুধু একাডেমিক উন্নয়নের জন্য নয়, বরং শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা, বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি এবং আধুনিক গবেষণার সুযোগের জন্যও বিশেষভাবে সমাদৃত। দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, চিকিৎসা ও মানবিক বিষয়ে শক্তিশালী গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করে, যা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন জ্ঞান অর্জনের দিগন্ত উন্মোচন করবে।
রাশিয়ায় পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা দেশটির সংস্কৃতি, জীবনযাপন এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের সুযোগও পাবে। তাই রাশিয়ান সরকারের এই বৃত্তি শুধু একটি শিক্ষার সুযোগ নয়, বরং ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে নতুন দিগন্ত সৃষ্টির একটি সম্ভাবনা।
















