দক্ষিণ আফ্রিকার সংগীতশিল্পী টায়লা দ্বিতীয়বারের মতো গ্র্যামি পুরস্কার জিতেছেন। আফ্রিকান সংগীত পরিবেশনা বিভাগে তিনি নাইজেরিয়ার ডেভিডোসহ চার প্রতিদ্বন্দ্বীকে পেছনে ফেলে সেরা হন।
২৪ বছর বয়সী টায়লা তার গান পুশ টু স্টার্ট-এর জন্য এই পুরস্কার অর্জন করেন। এই বিভাগে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন নাইজেরিয়ার আইরা স্টার, বার্না বয় ও ডেভিডো, পাশাপাশি উগান্ডার শিল্পী এডি কেনজো।
এর আগে ২০২৪ সালে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় গান ওয়াটার-এর জন্য একই বিভাগে গ্র্যামি জিতেছিলেন টায়লা। সেবারও তিনি একাধিক নাইজেরীয় তারকাকে হারিয়েছিলেন।
লস অ্যাঞ্জেলেসে পুরস্কার গ্রহণের পর প্রতিক্রিয়ায় টায়লা বলেন, বিষয়টি অবিশ্বাস্য। তিনি বলেন, এখানে থাকতে পেরে তিনি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছেন এবং একজন আফ্রিকান হিসেবে গর্ব অনুভব করছেন। ভবিষ্যতে আরও আফ্রিকান শিল্পীর সাফল্য দেখার প্রত্যাশাও জানান তিনি।
তার জয়ের পর দক্ষিণ আফ্রিকা ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিনন্দনের বার্তা ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই দক্ষিণ আফ্রিকার গর্ব হিসেবে তাকে অভিহিত করেন।
তবে নাইজেরিয়ার সংগীতপ্রেমীদের মধ্যে কিছুটা হতাশা দেখা গেছে। আফ্রোবিটসের বৈশ্বিক জনপ্রিয়তা সত্ত্বেও এবার কোনো নাইজেরীয় শিল্পী এই বিভাগে পুরস্কার জিততে পারেননি।
এই বিভাগে মনোনীত গানগুলো ছিল বার্না বয়ের লাভ, ডেভিডো ও ওমা লে-এর উইথ ইউ, এডি কেনজো ও মেহরান মাতিনের হোপ অ্যান্ড লাভ, আইরা স্টার ও উইজকিডের গিমি ড্যাট এবং টায়লার পুশ টু স্টার্ট।
এদিকে বার্না বয় সেরা বৈশ্বিক সংগীত অ্যালবাম বিভাগে মনোনয়ন পেলেও পুরস্কার জিততে পারেননি। একইভাবে সেরা বৈশ্বিক সংগীত পরিবেশনা বিভাগে মনোনয়ন পাওয়া অ্যাঞ্জেলিক কিজোও খালি হাতে ফিরেছেন।
তবে নাইজেরিয়ার কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ফেলাকুটি মৃত্যুর ২৯ বছর পর আজীবন সম্মাননা পুরস্কার পেয়েছেন।
এই অনুষ্ঠানে আরেক দক্ষিণ আফ্রিকান ট্রেভর নোয়া ষষ্ঠবারের মতো গ্র্যামির মূল অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন। তবে অনুষ্ঠান চলাকালে করা একটি কৌতুকের কারণে পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার বিরুদ্ধে মামলা করার হুমকি দেন।
















