বিশ্ববাজারে অস্থিরতায় একদিনে বাড়ল ১৬ হাজার টাকা; রুপার দামেও নতুন রেকর্ড
বিশ্ববাজারে দামের অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতির কারণে দেশের বাজারে রেকর্ড পরিমাণে বেড়েছে স্বর্ণ ও রুপার দাম।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) এক লাফে ভরিতে ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৮৬ হাজার ১ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের এই দাম শুধু সর্বোচ্চই নয়, বরং এক দিনে দাম বাড়ার ক্ষেত্রেও এটি একটি বিরল রেকর্ড। আজ সকাল ১০টা ১৫ মিনিট থেকেই নতুন এই দাম কার্যকর হয়েছে।
২৯ জানুয়ারি ২০২৬-এর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি ভরি ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৭২ হাজার ৯৯৬ টাকা, ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ ২ লাখ ৩৩ হাজার ৯৮০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ১ লাখ ৯৩ হাজার ৩৯ টাকা করা হয়েছে। গত বছর জুড়েই স্বর্ণের বাজারে অস্থিরতা ছিল, যা ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে এসে চরম রূপ নিল। উল্লেখ্য, গতকাল বুধবারও ভরিতে প্রায় ৭ হাজার টাকা বাড়ানো হয়েছিল।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও পাল্লা দিয়ে বেড়েছে। ভরিতে ৮১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৭৩ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট রুপা ৮ হাজার ১৬৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট রুপার দাম ৬ হাজার ৯৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজুস স্পষ্ট করেছে যে, এই বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে বাধ্যতামূলকভাবে ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ হবে। বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা এবং নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম প্রথমবারের মতো সাড়ে ৫ হাজার ডলার ছাড়িয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের বাজারে।
















