হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স ২০২৬: দক্ষিণ এশিয়ায় পঞ্চম দুর্বল অবস্থানে বাংলাদেশ
হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্সের ২০২৬ সালের জানুয়ারি সংস্করণে বাংলাদেশের পাসপোর্ট বিশ্বের সপ্তম এবং দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে পঞ্চম দুর্বল পাসপোর্ট হিসেবে স্থান পেয়েছে।
আবারও বিশ্বের অন্যতম দুর্বল পাসপোর্টের তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশের পাসপোর্ট। হেনলি অ্যান্ড পার্টনারস প্রকাশিত হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স ২০২৬ অনুযায়ী, বাংলাদেশের নাগরিকরা বর্তমানে বিশ্বের মাত্র ৩৭টি দেশে ভিসা ছাড়াই ভ্রমণের সুযোগ পাচ্ছেন।
এই সূচকে মোট ১০১টি অবস্থানের মধ্যে বাংলাদেশের পাসপোর্টের অবস্থান ৯৫তম। যদিও এটি আগের বছরের তুলনায় সামান্য উন্নতি, তবু বৈশ্বিক মানদণ্ডে বাংলাদেশের পাসপোর্ট এখনও দুর্বল হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।
২০২৫ সালের জানুয়ারি সংস্করণে ১০৬টি অবস্থানের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১০০তম। সেবারও বাংলাদেশ বিশ্বের সপ্তম দুর্বল পাসপোর্টের তালিকায় ছিল। এবছর র্যাংকিংয়ে কিছুটা উন্নতি হলেও বাংলাদেশের পাসপোর্ট এখনো যুদ্ধবিধ্বস্ত ফিলিস্তিন ও উত্তর কোরিয়ার পাসপোর্টের চেয়েও নিচে অবস্থান করছে।
হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট সিঙ্গাপুরের। দেশটির নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই ১৯২টি গন্তব্যে ভ্রমণ করতে পারেন। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া, যাদের নাগরিকরা ভিসামুক্ত ভ্রমণের সুযোগ পান ১৮৮টি দেশে।
তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ইউরোপের পাঁচটি দেশ—ডেনমার্ক, লুক্সেমবার্গ, স্পেন, সুইডেন ও সুইজারল্যান্ড। এসব দেশের নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই ১৮৬টি গন্তব্যে যেতে পারেন।
সূচকের একেবারে নিচের দিকে রয়েছে পাকিস্তান (৯৮তম), ইয়েমেন (৯৮তম), ইরাক (৯৯তম), সিরিয়া (১০০তম) এবং আফগানিস্তান (১০১তম)। এসব দেশের নাগরিকরা যথাক্রমে ৩১, ২৯, ২৬ ও ২৪টি গন্তব্যে ভিসামুক্ত ভ্রমণ করতে পারেন।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট মালদ্বীপের। দেশটির অবস্থান ৫২তম এবং মালদ্বীপের নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই ৯২টি গন্তব্যে ভ্রমণের সুযোগ পান।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হেনলি অ্যান্ড পার্টনারস বিশ্বের ১৯৯টি পাসপোর্ট ও ২২৭টি ভ্রমণ গন্তব্য বিশ্লেষণ করে এই র্যাংকিং প্রস্তুত করেছে।
















