বিইআরসি-র সাথে বৈঠকের পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত, ভোগান্তিতে গ্রাহকরা
কমিশন বৃদ্ধি ও প্রশাসনিক হয়রানি বন্ধসহ ছয় দফা দাবিতে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) থেকে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধের ডাক দিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়ার পর সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই ধর্মঘটের ঘোষণা দেয় সংগঠনটি। সমিতির সভাপতি সেলিম খান জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কোনো কোম্পানি প্ল্যান্ট থেকে গ্যাস উত্তোলন করা হবে না এবং মাঠ পর্যায়ে বিপণন কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। তাদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—পরিবেশক কমিশন ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০ টাকা এবং খুচরা বিক্রেতা কমিশন ৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭৫ টাকা করা। এছাড়া ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে তথাকথিত ‘হয়রানি ও জরিমানা’ বন্ধ করারও দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) পরিবেশকদের সাথে কোনো আলোচনা ছাড়াই একতরফাভাবে মূল্য নির্ধারণ করে যা তাদের লোকসানের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। সমিতির তথ্যমতে, দেশে প্রায় ৫.৫ কোটি সিলিন্ডার থাকলেও বর্তমানে মাত্র ১.২৫ কোটি সিলিন্ডার রিফিল হচ্ছে যা বাজারে কৃত্রিম সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির অন্যতম কারণ। বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টায় বিইআরসি-র সাথে ব্যবসায়ীদের একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ওই বৈঠকে সন্তোষজনক সমাধান না এলে ধর্মঘট অব্যাহত রাখার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। এদিকে হঠাৎ এই ধর্মঘটের ফলে খুচরা বাজারে এলপিজি সিলিন্ডারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে এবং অনেক জায়গায় চড়া দামে গ্যাস বিক্রি হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে।
















