মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় পলাতক থাকায় সরকারি খরচে আইনজীবী নিয়োগ, শুনানি ৭ জানুয়ারি
জুলাই-আগস্টে ইন্টারনেট বন্ধ করে গণহত্যায় উসকানির অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
জুলাই-আগস্টে ইন্টারনেট বন্ধ করে গণহত্যায় উসকানির অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সজীব ওয়াজেদ জয়ের পক্ষে সরকারি খরচে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১–এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী ৭ জানুয়ারি দিন নির্ধারণ করা হয়।
এই মামলার অপর আসামি সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলককে বুধবার সকালে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ। তার উপস্থিতিতে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম শুনানিতে অংশ নেন।
সজীব ওয়াজেদ জয়েরও এদিন ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার নির্দেশ ছিল। এ জন্য দুটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। তবে তিনি পলাতক থাকায় তার পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগের আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটর। শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল সেই আবেদন মঞ্জুর করে সরকারি খরচে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ দেন।
এর আগে, গত ১০ ডিসেম্বর জয়কে হাজির করার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১। একই আদেশে ১৭ ডিসেম্বর শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়।
এদিন পলকের পক্ষে শুনানিতে আইনজীবী লিটন আহমেদ অভিযোগ করেন, তাকে সপ্তাহে একদিন পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বলতে দেওয়া হচ্ছে না এবং ১৫ দিনে একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগও দেওয়া হচ্ছে না। এ বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের অনুমতি চান তিনি।
গত ৪ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল এই দুই আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন। একইসঙ্গে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। ওই দিনই সকালে জয় ও পলকের বিরুদ্ধে ফরমাল চার্জ দাখিল করে প্রসিকিউশন।
















