ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরাকভিত্তিক ইরানি কুর্দি বিরোধী সংগঠনগুলো কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় তাদের ঘাঁটি একাধিকবার লক্ষ্যবস্তু হলেও সংগঠনগুলোর নেতারা বিদেশি সামরিক সহায়তা পাওয়ার দাবি অস্বীকার করেছেন।
সংগঠনগুলোর নেতাদের দাবি, ইরানের কুর্দি অধ্যুষিত এলাকায় তাদের সাংগঠনিক উপস্থিতি ও সমর্থক রয়েছে। তবে যুদ্ধ শুরুর পর ইরান সীমান্তজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করায় তাদের কার্যক্রম পরিচালনা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে ইরাকের কুর্দি আঞ্চলিক প্রশাসনও নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের চলাফেরা ও কর্মকাণ্ডে সংযম বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে।
কুর্দি নেতারা জানান, ইরানের ভেতরে সরকার পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্র বা অন্য কোনো দেশের কাছ থেকে তারা অস্ত্র কিংবা সামরিক সহায়তা পাননি। তাদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং এতে ব্যাপক প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে।
অন্যদিকে ইরান দাবি করেছে, সীমান্তবর্তী এলাকায় তারা বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরাকের উত্তরাঞ্চলে কুর্দি সংগঠনগুলোর বিভিন্ন ঘাঁটিতে একাধিক হামলার খবর পাওয়া গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানি কুর্দি সংগঠনগুলো এখন জটিল বাস্তবতার মুখোমুখি। একদিকে তারা ইরানের বিরোধিতা করছে, অন্যদিকে ইরাকের কুর্দি অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করাও তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ফলে আঞ্চলিক সংঘাত আরও বিস্তৃত হলে তাদের অবস্থান ও ভবিষ্যৎ ভূমিকা নতুন করে আলোচনায় আসতে পারে।
















