সমঝোতার সম্ভাবনায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দর উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে, বাড়ছে সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশা
যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনা প্রশমনের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে চলমান আলোচনায় অগ্রগতির খবর প্রকাশের পর তেলের দাম যুদ্ধ শুরুর আগের অবস্থানের কাছাকাছি নেমে এসেছে।
আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে ব্যবহৃত অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম এক শতাংশের বেশি কমে প্রতি ব্যারেল একাত্তর ডলারের নিচে নেমে যায়। সাম্প্রতিক সর্বোচ্চ অবস্থানের তুলনায় এর দাম অনেকটাই কমেছে।
এই মূল্যপতনের পেছনে মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতারের ইতিবাচক মন্তব্যকে অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দেশটি জানিয়েছে, যুদ্ধের অবসান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টও আলোচনাকে আশাব্যঞ্জক বলে মন্তব্য করেছেন।
জ্বালানি বাজার বিশ্লেষকদের মতে, উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেলের সরবরাহ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে এবং ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা কিছুটা কমার প্রত্যাশাই বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তবে এখনো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সরবরাহে জমে থাকা চাপ পুরোপুরি কেটে গেলে তেলের দাম আরও কিছুটা কমতে পারে। এরপর বাজারে চাহিদা ও সরবরাহের নতুন ভারসাম্যই ভবিষ্যৎ মূল্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এদিকে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জাহাজ চলাচলেও ধীরে ধীরে স্বাভাবিকতা ফিরছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ওই পথে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজের সংখ্যা বেড়েছে। তবে যুদ্ধ-পূর্ব সময়ের তুলনায় চলাচল এখনো অনেক কম, কারণ নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ পুরোপুরি কাটেনি।
















