দক্ষিণ চীন সাগরের বিরোধপূর্ণ অঞ্চলে নিয়ন্ত্রিত একটি দ্বীপে বিরল সফর করেছেন কুয়ান বি-লিং, যা অঞ্চলজুড়ে চলমান উত্তেজনাকে নতুন করে সামনে এনেছে।
তাইওয়ানের মহাসাগর বিষয়ক এই মন্ত্রী তাইপিং দ্বীপ সফর করেন এবং সেখানে উপকূলরক্ষী বাহিনীর মহড়া পর্যবেক্ষণ করেন। এই দ্বীপটি তাইওয়ানের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও চীন, ফিলিপাইন এবং ভিয়েতনাম-ও এর ওপর দাবি করে।
এই সফর এমন এক সময়ে হয়েছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ফিলিপাইন যৌথভাবে বৃহৎ সামরিক মহড়া চালাচ্ছে, যা চীনের তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। একই সময়ে চীন দক্ষিণ চীন সাগরে নতুন যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়েছে এবং তাইওয়ান প্রণালীতেও তাদের বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করেছে।
তাইওয়ানের মহড়ায় একটি সন্দেহজনক জাহাজ আটক এবং উদ্ধার অভিযানের অনুশীলন করা হয়। এতে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা জাহাজে অভিযান চালিয়ে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ দখল করার দৃশ্যও দেখা গেছে।
প্রায় ৪৬ হেক্টর আয়তনের তাইপিং দ্বীপে প্রায় ২০০ মানুষের বসবাস রয়েছে। এটি স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক দ্বীপ এবং সেখানে একটি বিমান অবতরণ পথ ও হাসপাতাল রয়েছে।
২০১৬ সালে একটি আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল এই দ্বীপকে পূর্ণাঙ্গ দ্বীপ নয়, বরং “শিলা” হিসেবে চিহ্নিত করে। এর ফলে আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে এখান থেকে সীমিত সামুদ্রিক অধিকার প্রযোজ্য হয়। তবে এই রায় তাইওয়ান ও চীন উভয়ই প্রত্যাখ্যান করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সফর এবং সামরিক মহড়াগুলো দক্ষিণ চীন সাগরে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক অবস্থানকে আরও তীব্র করতে পারে, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।















