Section 144-এ শহর, বাস-ব্যবসা ফিরলেও সতর্ক নজরদারি অব্যাহত
রাতের অন্ধকারে, এক তরুণী খাগড়াছড়ির পঞ্চরী এলাকায় বসে কাঁদছিল। সকল ভয়ে তার ঘুম হারিয়ে গিয়েছিল। তার পরিবারও নিরাপত্তাহীনতায় আতঙ্কিত।
সকালে সূর্য উঠতেই শহরের রাস্তায় ফিরে এসেছে জীবনের ছোট্ট স্বস্তি। মানুষ ধীরে ধীরে দোকান খুলছে, বাস চলাচল শুরু হয়েছে, আর প্রত্যেকটি পদক্ষেপে আছে সতর্ক চোখে প্রশাসনের নজরদারি।
মানুষের কণ্ঠে স্বস্তি
অনিল বিকাশ চাকমা, চিকিৎসকের জন্য শহরে আটকে থাকা একজন যুবক, বললেন:
“আজ আমি ঘরে ফিরে যেতে পারছি, অবরোধ উঠে গেছে। দীর্ঘ দিন আটকে থাকার পর এটাই বড় স্বস্তি।“
ট্রাকচালক এমডি জয়নাল আবেদিন যোগ করলেন:
“কয়েক দিন আয়ের সুযোগ না থাকায় পরিবার অনেক ভুগেছে। আজ কমপক্ষে আমি আবার কাজে ফিরতে পারব।“
একইভাবে অনিল দেব, তার পরিবারের সঙ্গে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় যাচ্ছিলেন দুর্গাপূজার জন্য, বললেন:
“আমি অনেক দিন ঘরে যেতে পারিনি। আজ অবশেষে যাওয়ার সুযোগ পেলাম।”
কেন তোলপাড় হয়েছিল?
সবকিছু শুরু হয়েছিল সেপ্টেম্বর ২৩-এ এক কিশোরী মেয়ের ওপর সম্ভাব্য ধর্ষণের ঘটনায়। মেয়েটি প্রাইভেট টিউশন থেকে ফিরছিল, রাত ১১টার দিকে তাকে অচেতন অবস্থায় একটি মাঠে পাওয়া যায়।
পরবর্তী দিনগুলোতে জুম্মা ছাত্র জনতা-র নেতৃত্বে ব্যাপক প্রতিবাদ শুরু হয়। তারা তিনটি পাহাড়ি জেলায় অবরোধ ঘোষণা করে।

রবিবার গুইমারার রামেসু বাজারে সংঘর্ষ ভয়াবহ রূপ নেয়—তিনজন নিহত, অন্তত ২০ আহত, ৫০টি বাড়ি ও ৪০টি দোকান পুড়ে যায়।
চিকিৎসা বোর্ডের রিপোর্ট
সরকারি মেডিকেল বোর্ড গত রাতে প্রতিবেদন জমা দেয়, যেখানে বলা হয়েছে—“ধর্ষণের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি।”
সিভিল সার্জন শাবের আহমেদ বলেন:
“চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের। আমাদের কাজ শুধু প্রাথমিক তদন্ত নিশ্চিত করা।”
আতঙ্ক থেকে স্বস্তি
শহরের মানুষরা এখনো ভয়কে হারিয়ে পুরোপুরি স্বাভাবিক জীবন শুরু করতে পারেনি। কিন্তু প্রতিটি দোকান খুলে যাওয়া, বাস চলা, ছোট্ট হাঁটা-চলার প্রতিটি মুহূর্তই ভয়াবহ এক সপ্তাহের পর মানুষের জন্য নতুন আশা।শহরের মানুষরা এখনো ভয়কে হারিয়ে পুরোপুরি স্বাভাবিক জীবন শুরু করতে পারেনি। কিন্তু প্রতিটি দোকান খুলে যাওয়া, বাস চলা, ছোট্ট হাঁটা-চলার প্রতিটি মুহূর্তই ভয়াবহ এক সপ্তাহের পর মানুষের জন্য নতুন আশা।
একজন ব্যবসায়ী বললেন:
“এবার অন্তত আমরা শান্তিতে পূজা উদযাপন করতে পারব। যদিও আতঙ্ক এখনও মন থেকে দূর হয়নি।”শহরের মানুষরা এখনো ভয়কে হারিয়ে পুরোপুরি স্বাভাবিক জীবন শুরু করতে পারেনি।
কিন্তু প্রতিটি দোকান খুলে যাওয়া, বাস চলা, ছোট্ট হাঁটা-চলার প্রতিটি মুহূর্তই ভয়াবহ এক সপ্তাহের পর মানুষের জন্য নতুন আশা।
একজন ব্যবসায়ী বললেন:
“এবার অন্তত আমরা শান্তিতে পূজা উদযাপন করতে পারব। যদিও আতঙ্ক এখনও মন থেকে দূর হয়নি।”
সারসংক্ষেপ
- খাগড়াছড়িতে রাস্তা, দোকান ও বাস চলাচল স্বাভাবিক।
- Section 144 এখনও জারি।
- অবরোধ স্থগিত: ৫ অক্টোবর পর্যন্ত।
- গত সংঘর্ষে: ৩ নিহত, ২০ আহত, ৫০ বাড়ি ও ৪০ দোকান ক্ষতিগ্রস্ত।
- সরকারি মেডিকেল বোর্ডের রিপোর্টে ধর্ষণের চিহ্ন পাওয়া যায়নি, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের।
















