পাঁচ মূলনীতি ও সাত লক্ষ্য নিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে যাত্রা শুরু
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান–পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতায় নতুন এক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে ‘নেটওয়ার্ক ফর পিপলস (এনপিএ)’। শুক্রবার বিকেলে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা ঘোষণা করা হয়।
নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম নেটওয়ার্ক ফর পিপলস (এনপিএ) আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে। আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে পাঁচ মূলনীতি ও সাত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সামনে রেখে এই প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ ঘোষণা করা হয়।
অনুষ্ঠানে এনপিএর অন্যতম উদ্যোক্তা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়–এর সাবেক শিক্ষার্থী মীর হুযাইফা আল মামদূহ জানান, নতুন প্ল্যাটফর্মটির কেন্দ্রীয় কাউন্সিল হবে ১০১ সদস্যবিশিষ্ট। এর মধ্যে প্রাথমিকভাবে ৯৯ জন সদস্যের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি সদস্যদের নাম পরামর্শক্রমে পরবর্তী সময়ে প্রকাশ করা হবে বলে জানান তিনি।
কেন্দ্রীয় কাউন্সিলে পরিচিত মুখ
ঘোষিত ৯৯ সদস্যের তালিকায় রয়েছেন—
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করা অনিক রায়, অলীক মৃ, তুহিন খান;
ঢাবি শাখা ছাত্র ইউনিয়ন (একাংশ)–এর সভাপতি মেঘমল্লার বসু;
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন–এর সাবেক সমন্বয়ক নাজিফা জান্নাত;
অধিকারকর্মী ফেরদৌস আরা রুমি এবং তাসলিমা মিজি প্রমুখ।
ঘোষণাপত্র পাঠ করেন ফেরদৌস আরা রুমি, তুহিন খান ও নাজিফা জান্নাত।
কী বলছে এনপিএ
ঘোষণাপত্র পাঠের সময় নাজিফা জান্নাত বলেন, এনপিএ পাঁচটি মূলনীতির ভিত্তিতে তাদের রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এসব মূলনীতির মধ্যে রয়েছে—
গণতন্ত্র, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার, পাশাপাশি প্রাণ–প্রকৃতি–পরিবেশের সুরক্ষা।
তিনি বলেন, এসব নীতির আলোকে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলাই এনপিএর লক্ষ্য।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর নতুন ধারার রাজনীতি
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন প্ল্যাটফর্ম ও দলের উত্থান লক্ষ করা যাচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, ওই সময়ের পর এখন পর্যন্ত অন্তত ২৮টির বেশি নতুন রাজনৈতিক দল ও প্ল্যাটফর্ম আত্মপ্রকাশ করেছে।
নতুন এই বাস্তবতায় এনপিএ নিজেদের জনগণকেন্দ্রিক একটি বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে চায় বলে উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন।
















