বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সময় অঞ্চল অনুযায়ী একে একে শুরু হয়েছে ২০২৬ সালকে স্বাগত জানানোর আয়োজন। নববর্ষের আগমনে নানা দেশের শহরে আতশবাজি, আলো ও উৎসবের আমেজে মুখর হয়ে ওঠে জনপদ।
নতুন বছরকে প্রথম স্বাগত জানানো বড় শহরগুলোতে মধ্যরাতের সঙ্গে সঙ্গে জলতীর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার আশপাশে আতশবাজির প্রদর্শনী হয়। বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হন খোলা জায়গা ও নির্ধারিত স্থানে, একসঙ্গে নতুন বছরের সূচনা দেখতে।
রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই উদযাপন ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বের নানা প্রান্তে। আমেরিকা মহাদেশে রিও ডি জেনেইরোর সমুদ্রসৈকত থেকে শুরু করে নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ার পর্যন্ত নানা শহরে উৎসবের মাধ্যমে শেষ হয় বৈশ্বিক নববর্ষ উদযাপনের ধারাবাহিকতা।
অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে হারবার ব্রিজের ওপর বর্ণিল আতশবাজিতে শুরু হয় নতুন বছরের উদযাপন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে বিশ্বের সর্বোচ্চ ভবন বুর্জ খলিফাকে ঘিরে আলো ও আতশবাজির ঝলকানি নজর কাড়ে। রাশিয়ার মস্কোয় রেড স্কয়ারে মানুষ ঘুরতে ও আনন্দ করতে দেখা যায়।
থাইল্যান্ডের ব্যাংককে আকাশজুড়ে আতশবাজির আলোকচ্ছটা নববর্ষের আনন্দকে আরও উজ্জ্বল করে তোলে। যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ইউক্রেনের কিয়েভে কারফিউয়ের আগে সীমিত পরিসরে মানুষ স্পার্কলার জ্বালিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
ভ্যাটিকানে সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে পোপ প্রার্থনার মাধ্যমে নববর্ষের সূচনা করেন। জাপানের টোকিওতে ঐতিহ্যবাহী বৌদ্ধ মন্দিরে মানুষের ভিড় জমে নতুন বছরকে বরণ করতে। হংকং ও বেইজিংয়ে কাউন্টডাউন অনুষ্ঠানে অংশ নেন উৎসবপ্রেমীরা।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে টাইমস স্কয়ারে ঐতিহ্যবাহী বল ড্রপ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শুরু হয় ২০২৬ সাল। ভারতের হায়দরাবাদে গির্জায় প্রার্থনার মধ্য দিয়ে অনেকেই নতুন বছরের সূচনা করেন।
বিশ্বজুড়ে এই উদযাপন নতুন বছরের আশাবাদ, আনন্দ ও প্রত্যাশার প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছে।
















