খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে কেবল দেশের অভ্যন্তরেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নেপালের প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তা দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের গভীরতাকে আরও একবার সামনে নিয়ে এলো।
‘নেপালের প্রকৃত বন্ধুকে হারালাম’: বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুতে সুশীলা কার্কির গভীর শোক ও শ্রদ্ধা
নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) এক শোকবার্তায় তিনি খালেদা জিয়াকে ‘আজীবন জনসেবার এক উত্তরাধিকারী’ এবং ‘নেপালের প্রকৃত বন্ধু’ হিসেবে অভিহিত করেন।
নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুতে নেপাল সরকার ও দেশটির জনগণ গভীরভাবে মর্মাহত। তিনি মরহুমার পরিবার এবং বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের প্রতি সমবেদনা জানান।
ঐতিহাসিক নেতৃত্ব ও নেপাল-বাংলাদেশ সম্পর্ক
শোকবার্তায় সুশীলা কার্কি উল্লেখ করেন যে, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় একটি ঐতিহাসিক অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, “খালেদা জিয়া আজীবন জনসেবার এক অনন্য উত্তরাধিকার রেখে গেছেন। নেপালের একজন প্রকৃত বন্ধু হিসেবে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে তার ভূমিকা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।”
৮০ বছরে চিরবিদায়
ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে টানা ৪০ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মঙ্গলবার ভোর ৬টায় চিকিৎসকরা খালেদা জিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং দেশের প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপির দীর্ঘকালীন নেতৃত্ব দিয়েছেন।
নেপালের প্রধানমন্ত্রী তার বিদেহী আত্মার চির শান্তি কামনা করেন এবং দক্ষিণ এশীয় রাজনীতিতে তার অবদানকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।
















