নির্বাচন ঘিরে বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে টহল, চেকপোস্ট ও তাৎক্ষণিক কঠোর ব্যবস্থা জোরদারের নির্দেশ
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো মূল্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে মাঠপর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক। প্রাক-নির্বাচনী সময়জুড়ে দৃশ্যমান পুলিশি উপস্থিতি বাড়ানো, তল্লাশি জোরদার এবং বিশৃঙ্খলায় তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে যেকোনো মূল্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক বাহারুল আলম। তিনি বলেন, নির্বাচনসংক্রান্ত কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
সোমবার সকালে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে আইজিপি মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের এ নির্দেশনা দেন। তিনি জানান, প্রাক-নির্বাচনী সময়ে বাংলাদেশ পুলিশ-এর দৃশ্যমান উপস্থিতি বাড়াতে হবে। নিয়মিত টহলের পাশাপাশি চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ দেন তিনি।
আইজিপি বলেন, পুলিশের আইনানুগ দায়িত্ব পালনে কেউ বাধা সৃষ্টি করলে তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করতে হবে। একই সঙ্গে থানা থেকে লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধারে তৎপরতা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়ে তিনি সরকার ঘোষিত পুরস্কারের বিষয়টি জনসাধারণের কাছে ব্যাপকভাবে প্রচারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
নির্বাচনী পরিবেশ শান্ত রাখতে সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ওপর জোর দিয়ে আইজিপি বলেন, মাঠপর্যায়ের প্রতিটি ইউনিটকে সতর্ক ও সক্রিয় থাকতে হবে, যাতে ভোটের দিন ও তার আগে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের এই নির্দেশনাকে নির্বাচনী প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।














