কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিজিবির কাছে হস্তান্তর
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি যুবক শান্তর মরদেহ আট দিন পর পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করেছে ভারত।
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)–এর গুলিতে নিহত বাংলাদেশি যুবক শান্তর (২৪) মরদেহ আট দিন পর ফেরত দিয়েছে ভারত। শনিবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে মরদেহটি বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়।
নিহত শান্ত দৌলতপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী মোহাম্মদপুর ডাংয়েরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং শিপন আলীর ছেলে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) জানায়, কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) অধীনস্থ জামালপুর বিওপি সংলগ্ন সীমান্ত পিলার ১৫২/৭-এস এলাকায় ভারতীয় ভূখণ্ডে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে প্রাগপুর বিজিবির কোম্পানি কমান্ডার এবং ভারতের পক্ষে ১৪৬ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের নিউ উদয় ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার নেতৃত্ব দেন। বৈঠক শেষে বিএসএফ নিহত যুবকের মরদেহ বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গত ৫ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে আশ্রয়ণ বিওপি সংলগ্ন সীমান্ত পিলার ১৫৪/৩-এস এলাকার কাছে ভারতের অভ্যন্তরে ১০ থেকে ১২ জন বাংলাদেশি মাদক চোরাকারবারি প্রবেশের চেষ্টা করে বলে বিএসএফ দাবি করে। এ সময় বাধা দিলে চোরাকারবারিরা বিএসএফ সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি চালায় বলে অভিযোগ করা হয়। আত্মরক্ষার্থে বিএসএফ পাল্টা গুলি চালালে শান্ত গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন।
পরে বিএসএফ আহত শান্তকে আটক করে ভারতের করিমপুর রুরাল হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেদিনই বিকেলে তার মৃত্যু হয়।
৪৭ বিজিবি কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক মো. জাকিরুল ইসলাম মরদেহ ফেরত আনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ শান্তর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
















