ব্রিটিশ হাইকমিশন বলছে—সংলাপ, জবাবদিহিতা ও সমন্বিত পদক্ষেপই এগিয়ে নেবে মানবাধিকার সুরক্ষা
বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে আশাবাদী যুক্তরাজ্য জানায়—চ্যালেঞ্জ থাকলেও সুশাসন, আইনের শাসন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে টেকসই অগ্রগতি সম্ভব।
বাংলাদেশে মানবাধিকার রক্ষা ও উন্নয়নে তাদের দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে যুক্তরাজ্য। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে বুধবার ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে—চ্যালেঞ্জ থাকলেও সংলাপ, জবাবদিহিতা ও সমন্বিত পদক্ষেপের মাধ্যমে অগ্রগতি সম্ভব এবং এই প্রচেষ্টায় যুক্তরাজ্য সবসময় বাংলাদেশের পাশে থাকতে চায়।
বিবৃতিতে বলা হয়, মানবাধিকার সুরক্ষা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ স্থিতিশীলতা, সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের ভিত্তি। অধিকার ও আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা বিনিয়োগ বাড়াতে সাহায্য করে এবং অর্থনীতিতে নারীর সম্পূর্ণ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করে।
যুক্তরাজ্য আরও তুলে ধরে, মানবাধিকার রক্ষার মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে, যা দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে এটি সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা, জবাবদিহিমূলক সরকারি সেবা এবং সহিংসতা প্রতিরোধে সহায়ক।
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার ক্ষেত্রেও মানবাধিকারকে অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেছে ব্রিটিশ হাইকমিশন। তাদের মতে, মানবাধিকার সুরক্ষিত হলে ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায় সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশ নিতে পারে এবং জীবন-জীবিকা রক্ষায় ন্যায়সঙ্গত ও স্বচ্ছ সমাধান নিশ্চিত হয়।
বিবৃতির শেষে যুক্তরাজ্য জানায়—তারা এমন ভবিষ্যত গড়তে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে চায়, যেখানে প্রত্যেক ব্যক্তি মর্যাদা, সমতা ও ন্যায়বিচার উপভোগ করবে।














