কামড়ের পর সাপটিকে লাঠি দিয়ে আটক করে কৌটায় ভরে হাসপাতালে হাজির; চিকিৎসা নিয়ে এখন স্থিতিশীল অবস্থায় কৃষক কুদ্দুস আলী
চিকিৎসকরা নিশ্চিত করেছেন—সাপটি ছিল মারাত্মক বিষধর ‘রাসেলস ভাইপার’; দ্রুত এন্টিভেনম দেওয়ায় প্রাণে বেঁচে গেছেন তিনি।
কুষ্টিয়ায় চন্দ্রবোড়া বা রাসেলস ভাইপার সাপে কামড়ানোর পর সেই সাপটিকেই জ্যান্ত অবস্থায় ধরে হাসপাতালে নিয়ে এসে সবাইকে অবাক করে দিয়েছেন কৃষক কুদ্দুস আলী শেখ (৬৫)।
ঘটনাটি ঘটে সোমবার দৌলতপুর উপজেলার চিলমারী চরে। কৃষক কুদ্দুস আলী মাঠে যাওয়ার সময় হঠাৎ পায়ের ওপর ছোবল মারে সাপটি। তিনি প্রথমে বুঝতে না পেরে লাঠি দিয়ে সাপটিকে আঘাত করে কৌটায় ভরে রাখেন। এরপর পরিবারের সদস্যরা তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
কৃষক কুদ্দুস আলী বলেন, “ছোবল দেওয়ার পরে কোন সাপ বোঝার জন্যই লাঠি দিয়ে আঘাত করি। পরে বাড়িতে খবর দিলে সন্তানেরা দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যায়। সাপটাকেও কৌটায় ভরে সাথে নিয়ে আসি।”
হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. ইকবাল হোসেন জানান, পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে সাপটি বিষধর রাসেলস ভাইপার। রোগীকে সঙ্গে সঙ্গে এন্টিভেনম দেওয়ায় তার অবস্থা স্থিতিশীল থাকে। “বর্তমানে তিনি সুস্থ আছেন, তবে কামড়ের স্থানে ব্যথা রয়েছে,” বলেন চিকিৎসক।
চিকিৎসকরা মনে করছেন, সাপটিকে সঙ্গে করে হাসপাতালে আনা হওয়ায় সঠিক সাপ শনাক্ত করা সহজ হয়েছে এবং তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দিতে সুবিধা হয়েছে। দ্রুত সিদ্ধান্তই কৃষক কুদ্দুস আলীর প্রাণ বাঁচিয়েছে বলে মনে করছেন তারা।
















