আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে মাঠপর্যায়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যে প্রধান বিচারপতির কাছে ৩০০ জন বিচারক চেয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। মঙ্গলবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় তিনি এ অনুরোধ জানান। পাশাপাশি নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় বিচার বিভাগের সহযোগিতা চান সিইসি।
সাক্ষাৎ শেষে সিইসি জানান, প্রধান বিচারপতির সঙ্গে এটি সৌজন্য ও বিদায়ী সাক্ষাৎ। তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণার পরপরই ইলেক্টরাল ইনকোয়ারি কমিটি মোতায়েনের প্রক্রিয়া দ্রুত করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্রধান বিচারপতি আশ্বস্ত করেছেন যে কমিটির মোতায়েন বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সীমানা পুনর্নির্ধারণ বিষয়ে আদালতে চলমান বেশ কয়েকটি মামলার প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, এ বিষয়ে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে আলোচনা হয়নি।
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে, আজ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কমিশনের প্রায় দুই ঘণ্টার বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেখান থেকে ফিরে সিইসির তফসিল ঘোষণার ভাষণ রেকর্ড করা হবে। ভাষণটি সন্ধ্যায় প্রচার হতে পারে। তবে কোনো কারণে আজ তফসিল ঘোষণা না হলে বৃহস্পতিবার তা জানানো হবে।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে আজ সন্ধ্যায় অথবা বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণা করা হবে। তিনি বলেন, তফসিলে রাজনৈতিক দলসহ সব অংশীজনের সহযোগিতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হবে। পাশাপাশি চূড়ান্ত পোস্টাল ব্যালটে নিষিদ্ধ বা স্থগিত কোনো দলের প্রতীক থাকবে না।
ইসি সূত্র আরও জানায়, বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারকে ইতোমধ্যে সিইসির তফসিল ঘোষণার ভাষণ রেকর্ড করার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ পাঠানো হয়েছে। আগামী বছর ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ভোট গ্রহণের তারিখ ঘোষিত হতে পারে।
















