ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকা কারচুপির অভিযোগে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) ও ‘আইসা’র ডাকা বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে চরম উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দেশটির রাজধানী দিল্লি। পূর্বঘোষিত এই কর্মসূচি প্রতিহত করতে পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনীর তীব্র অভিযানের মুখে পড়েছেন বিরোধী শীর্ষ নেতারা। অভিযানের অংশ হিসেবে ভারতের চারজন সাবেক মুখ্যমন্ত্রীকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
শনিবার (১০ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, দিল্লিতে আটক হওয়া চার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী হলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পিনারাই বিজয়ন এবং মানিক সরকার।
পুলিশ হেফাজতে যাওয়ার পর একটি বাসের ভেতর থেকে প্রকাশ করা ভিডিও বার্তায় আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেন, “যন্তর মন্তরে সিইসিবিরোধী বিক্ষোভে যোগ দিতে ‘দিল্লি চলো’ বার্তার পরপরই আমাদের আটক করা হয়েছে।” অন্যদিকে, আটক অবস্থায় সাউথ অ্যাভিনিউ থানায় অবস্থান ধর্মঘট (ধর্না) শুরু করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়া দিল্লি বিমানবন্দরে প্লেন অবতরণের পরপরই সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং তাঁর সহ-আহ্বায়কদের বিমান থেকেই আটক করে পুলিশ।
কর্মসূচির কোনো অনুমতি না থাকায় পুরো দিল্লিকে কার্যত দুর্গে পরিণত করা হয়েছে। রাজপথে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে ২০ হাজারেরও বেশি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (সিএপিএফ) সদস্য। সকাল থেকে পরিচালিত অভিযানে প্রায় দুই হাজার বিক্ষোভকারীকে আটক এবং প্রায় ৬০০ জনকে অগ্রিম হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
শীর্ষ নেতারা আটক হওয়ার পর সিজেপির বিক্ষোভের হাল ধরেছেন অজিঙ্কা শিন্ডে। পুলিশি বাধা ও ব্যাপক গ্রেপ্তার তাণ্ডব উপেক্ষা করেই সিজেপির বাকি নেতাকর্মীরা যন্তর মন্তরের উদ্দেশ্যে কর্মসূচি অব্যাহত রাখার বার্তা দিয়েছেন।























