সশস্ত্র বাহিনী দিবসে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনে সেনা সদস্যদের দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। শান্তি, সার্বভৌমত্ব ও আধুনিকায়ন প্রসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন তিনি।
নির্বাচনে পেশাদার ভূমিকার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার, সশস্ত্র বাহিনীকে সতর্ক ও প্রস্তুত থাকার নির্দেশ
ঢাকা — আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়’ হিসেবে বর্ণনা করে সশস্ত্র বাহিনীকে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
শুক্রবার সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে সেনাকুঞ্জে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি বলেন—নির্বিঘ্ন, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্বে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর ভূমিকা হবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রধান উপদেষ্টা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদ, যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পাশাপাশি ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থানে নিহত ও অংশগ্রহণকারী জনগণকেও স্মরণ করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ শান্তিপ্রিয় জাতি—বন্ধু রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্মানজনক সহাবস্থানে বিশ্বাসী। তবে যেকোনো আগ্রাসী বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীকে সবসময় প্রস্তুত থাকতে হবে।
সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রসঙ্গেও কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা। জানান—অন্তর্বর্তী সরকার বাহিনীগুলোর আধুনিকায়ন, উন্নত প্রশিক্ষণ এবং যুগোপযোগী প্রযুক্তি সংযোজনের উদ্যোগ জোরদার করেছে।
আগামী নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা, দক্ষতা ও নিরপেক্ষতার বার্তা দিয়েই সেনা সদস্যদের প্রতি তার আহ্বান—গণতন্ত্রের নতুন যাত্রায় তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
















