দেশের ফুটবল পরিকাঠামোয় নতুন হাওয়া লেগেছে। সিলেট, চট্টগ্রাম ও কমলাপুর স্টেডিয়ামের মাঠ, গ্যালারি ও ড্রেসিংরুমের মতো ক্রীড়া সংক্রান্ত অংশের দায়িত্ব বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) হাতে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে কক্সবাজারের রামুতে ১৫ একর জমিতে ফিফার অর্থায়নে ট্রেনিং সেন্টার তৈরির উদ্যোগও এগোচ্ছে। বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালের মতে, আন্তর্জাতিক ফুটবলে এগোতে হলে মানসম্মত মাঠ ও নির্দিষ্ট ভেন্যু জরুরি। সরকার এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে তিন স্টেডিয়াম নিয়ে কাজ চলছে। কিছু নথিপত্রের জটিলতায় হস্তান্তরে সময় লাগছে। তাবিথ বলেন, ‘স্টেডিয়ামের দোকান, দোকানের ভাড়া বা মালিকানার কোনো অধিকার বাফুফে পাবে না। এগুলো জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কাছেই থাকবে। তবে মাঠ, গ্যালারি, ড্রেসিংরুমসহ ক্রীড়া কার্যক্রমের অংশগুলোর দায়িত্ব বাফুফে নিতে পারবে।’ রামুতে ট্রেনিং সেন্টারের জন্য জমি বাফুফের নামে হস্তান্তরের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। ২৫ একরের পরিকল্পনা থাকলেও আপাতত মিলছে ১৫ একর। বাফুফের নামে জমি হলে ফিফার সঙ্গে আলোচনা করে নতুন নকশা হবে। সুবিধা কমলেও মানে কোনো আপস করা হবে না। এদিকে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে ফিফা উইন্ডোয় চারটি ম্যাচ খেলার সম্ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশের। ঘরের মাঠে তিন বা চার জাতির টুর্নামেন্টের জন্য কয়েকটি দেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আবার কিরগিজস্তান থেকেও ত্রিদেশীয় সিরিজের ডাক এসেছে।
এদিকে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে চাপিয়ে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন যারা, অফ সিজনে তারা কখনো সামাজিক, কখনো রাজনৈতিক অনুরোধে, আবার কখনো অর্থের বিনিময়ে জেলা পর্যায়ের ‘ক্ষ্যাপ’ ম্যাচে নেমে পড়েন। এবার সেই প্রবণতা নিয়ে জাতীয় ফুটবলারদের সতর্ক করলেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি তাবিথ আউয়াল।















