যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য নতুন হামলার খবরে মধ্যপ্রাচ্যে আবারও উত্তেজনা বেড়েছে। ইরানের সামরিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্র, জ্বালানি অবকাঠামো বা বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হলে তার কঠোর জবাব দেওয়া হবে। একই সঙ্গে তারা আঞ্চলিক দেশগুলোকে সতর্ক করে বলেছে, কোনো দেশের ভূখণ্ড বা অবকাঠামো হামলার কাজে ব্যবহৃত হলে সেটিও সংঘাতের ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা লক্ষ্য করে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর পরিকল্পনা বিবেচনা করছে। যদিও এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, সম্ভাব্য হামলার জবাবে পাল্টা প্রতিরোধের পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে।
এদিকে চলমান সংঘাতে বিভিন্ন এলাকায় হামলা-পাল্টা হামলা অব্যাহত রয়েছে। ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার পাশাপাশি দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার লক্ষ্য হয়েছে একাধিক সামরিক ও জ্বালানি স্থাপনা। কয়েকটি দেশে আকাশসীমায় ড্রোন ভূপাতিত করার খবরও পাওয়া গেছে। সমুদ্রপথেও নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জাহাজ চলাচলে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ইরানের কর্মকর্তারা বলেছেন, সামরিক উত্তেজনা বাড়লেও কূটনৈতিক পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে এবং ভবিষ্যতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার উপায় নিয়েও আলোচনা চলছে। তবে তারা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না।
















