সমুদ্রবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নিতে যাওয়া তাইওয়ানের কয়েকজন প্রতিনিধিকে প্রবেশের অনুমতি না দিয়ে বহিষ্কার করায় কেনিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে তাইপে। তাইওয়ানের দাবি, চীনের চাপের কারণেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
তাইওয়ানের পররাষ্ট্র কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সম্মেলনে অংশ নিতে কেনিয়ায় পৌঁছানো প্রতিনিধিদের বিমানবন্দরে আটক করা হয়। তাদের পাসপোর্ট ও মোবাইল ফোন জব্দ করে দীর্ঘ সময় আটকে রাখার পর দেশে ফেরত পাঠানো হয়।
তাইওয়ান এ ঘটনাকে মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক রীতিনীতির পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেছে। দেশটির সমুদ্রবিষয়ক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শেষ মুহূর্তে প্রতিনিধিদের ভিসা বাতিল করা হয়, যা আন্তর্জাতিক সহযোগিতার চেতনার পরিপন্থী।
অন্যদিকে কেনিয়া তাদের সিদ্ধান্তের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেছেন, কেনিয়া ‘এক চীন’ নীতি অনুসরণ করে এবং তাইওয়ানকে পৃথক রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না। এ কারণে তাইওয়ানের পাসপোর্টধারীরা সরকারি আয়োজনে অংশগ্রহণের অনুমতি পাননি।
চীন ও তাইওয়ানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সার্বভৌমত্ব নিয়ে বিরোধ চলছে। বেইজিং তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে দাবি করে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাইওয়ানের অংশগ্রহণ সীমিত করতে বিভিন্ন কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিয়ে থাকে।
এদিকে আফ্রিকায় প্রথমবারের মতো আয়োজিত সমুদ্রবিষয়ক এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তন, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং দূষণ মোকাবিলার বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। অংশগ্রহণকারী দেশগুলো বৈশ্বিক সমুদ্র সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর জোর দিয়েছে।















