নীলফামারীর ডিমলায় নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে পাঁচঘণ্টা আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুই যুবককে আসামি করে ডিমলা থানায় মামলা করেছেন ওই ছাত্রীর নাানি।
সোমবার (৬ এপ্রিল) রাতে ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শওকত আলী সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে রবিবার সকালে উপজেলার খালিশা চাপানী ইউনিয়নের তালতলা সরকারপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্তরা হলেন- ডিমলা উপজেলার খালিশা চাপানী ইউনিয়নের তালতলা সরকারপাড়া গ্রামের কাজল রানা (২১) ও একই এলাকার মুন্না ইসলাম মান্নান (২৪)।
মামলার এজাহার ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ওই ছাত্রী (ছদ্মনাম রোমানা) দীর্ঘদিন যাবৎ তালতলা সরকারপাড়া গ্রামে তার নানার বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করছে। ঘটনার দিন, রবিবার (৫ এপ্রিল) সকালে ছদ্মনাম রোমানাকে বাড়িতে রেখে তার নানি ও তার মা লালপুরে ডাক্তার দেখাতে যান। দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে ওই দুই যুবক তাকে বাসায় একা পেয়ে জোরপূর্বক পার্শ্ববর্তী ভুট্টা খেতে নিয়ে মুখে কাপড় বেঁধে আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।
সন্ধ্যা পর্যন্ত বাড়ি না ফেরায় স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজি শুরু করে। পরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় ভুট্টা খেত থেকে উদ্ধার করা হয়।
রাত ৮টায় তার মা ও নানি বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পারলে, রবিবার রাতে ওই দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন।
ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শওকত আলী সরকার জানান, ওই ছাত্রীর জবানবন্দি গ্রহণ করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নীলফামারী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে, তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
















