যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার তীব্র চাপের মুখে ইরানের সঙ্গে বিমান চলাচলে বড় ধরনের কড়াকড়ি আরোপ করেছে ইরাক। দেশটির প্রধান বিমানবন্দরগুলোতে ইরানি বিমান সংস্থাগুলোর গ্রাউন্ড সার্ভিস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, যা বাগদাদকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার দ্বন্দ্বে আরও বেশি ঝুঁকিতে ফেলেছে।
ইরাকের অর্থনীতি ও জ্বালানি খাত অনেকাংশেই ইরানের ওপর নির্ভরশীল। বিশেষ করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য দেশটি ইরান থেকে আমদানিকৃত গ্যাসের ওপর নির্ভর করে। তা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার হুমকি এড়াতে সরকার এই কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছে। এর ফলে ইরান কোনো পাল্টা পদক্ষেপ নিলে দেশটির ভঙ্গুর অর্থনীতিতে নতুন করে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
যুদ্ধের কারণে ইতোমধ্যে হরমুজ প্রণালিতে তেল রপ্তানি ব্যাহত হওয়ায় অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে রয়েছে ইরাক। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও ইসরায়েলের ত্রির্মুখী ভূরাজনৈতিক সংঘাতে পড়ে দেশটির অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি দিন দিন আরও জটিল হয়ে উঠছে।























