১০ হাজার ৮২৬ কোটি টাকার তেল আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন
২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে ছয়টি দেশের সাতটি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান থেকে ১৩ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এই মেগা আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। জি-টু-জি (সরকার থেকে সরকার) মেয়াদি চুক্তির ভিত্তিতে চীন, আরব আমিরাত, ভারত, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়া থেকে এই তেল কেনা হবে। এতে সরকারের মোট ব্যয় হবে ১০ হাজার ৮২৬ কোটি ১১ লাখ টাকা (প্রায় ৮৮ কোটি ২৩ লাখ মার্কিন ডলার)। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) নিজস্ব বাজেট ও ব্যাংক ঋণের অর্থায়নে এই আমদানি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
আমদানিকৃত জ্বালানি তেলের মধ্যে রয়েছে ৮ লাখ ৯০ হাজার মেট্রিক টন গ্যাস অয়েল, ১ লাখ ৮৫ হাজার মেট্রিক টন জেট এ-১, ১ লাখ ৭৫ হাজার মেট্রিক টন ফার্নেস অয়েল, ১ লাখ মেট্রিক টন গ্যাসোলিন এবং ৩০ হাজার মেট্রিক টন মেরিন ফুয়েল। সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো চীনের পেট্রোচায়না ও ইউনিপেক, ভারতের আইওসিএল এবং আরব আমিরাতের ইএনওসি। দেশের শিল্প উৎপাদন, পরিবহন এবং বিদ্যুৎ খাত সচল রাখতে এই জ্বালানি সরবরাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আগামী জুন মাস পর্যন্ত এই আমদানির মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।
















