দীঘিনালা-সাজেক সড়কে অবরোধ বলবৎ রয়েছে কি না, তা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের মধ্যে তীব্র বিভ্রান্তি ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন সংগঠনের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘোষণার কারণেই মূলত এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
এর আগে সাজেক কারবারি অ্যাসোসিয়েশন এবং সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির পক্ষ থেকে অবরোধ কর্মসূচি ১২ ঘণ্টার জন্য শিথিল করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। তবে গভীর রাতে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম রক্ষা কমিটি’ নামের আরেকটি সংগঠন নতুন করে সকাল-সন্ধ্যা অবরোধের ডাক দিলে পরিস্থিতি জটিল রূপ নেয়।
এর প্রভাবে সকাল থেকে দীঘিনালা, বাঘাইছড়ি ও লংগদু সড়কে দূরপাল্লার কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারেনি। তবে অভ্যন্তরীণ সড়কে সীমিত পরিসরে কিছু অটোরিকশা চলতে দেখা গেছে। সকালের দিকে দীঘিনালা-খাগড়াছড়ি সড়কের সুপারিবাগান এলাকায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মাহিন্দ্রা দিয়ে পিকেটিংয়ের চেষ্টা চালান আন্দোলনকারীরা।
এদিকে টানা অবরোধের কারণে সাজেকের পর্যটন খাত মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে। হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টগুলো বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন পর্যটন খাতের কর্মী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। সংঘাত এড়াতে এবং স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে স্থানীয়রা দ্রুত প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ ও সমঝোতার দাবি জানিয়েছেন।






















