‘ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রীর’ পরিকল্পনায় নতুন আশার আলো দেখছে জনগণ; জননেতাকে ফিরে পেয়ে উজ্জীবিত বাংলাদেশ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ‘রাজকীয়’ ও ‘ঐতিহাসিক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কোনো নেতার এমন স্বতঃস্ফূর্ত এবং বিশাল সংবর্ধনা পাওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বিরল। তারেক রহমানের ফিরে আসা বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে এক নতুন গণতান্ত্রিক আশার সঞ্চার করেছে।
২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ | বিকেল ০৩:৪৫ মিনিট
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত শেষে শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেন। দীর্ঘ ১৭ বছর পর তারেক রহমানের দেশে ফেরার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সারা দেশে যে উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে, তিনি তার বিশদ ব্যাখ্যা দেন।
জনসমুদ্র ও রাজকীয় অভ্যর্থনা মির্জা ফখরুল বলেন, “আমাদের তরুণ ও সম্ভাবনাময় নেতা তারেক রহমান গতকাল দেশে ফিরে এসেছেন। যাকে আজ সমগ্র বাংলাদেশের মানুষ এবং বিশ্ব গণমাধ্যম বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখছে। তার এই প্রত্যাবর্তন ছিল আক্ষরিক অর্থেই রাজকীয়। বিমানবন্দর থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত যে অভূতপূর্ব জনস্রোত আমরা দেখেছি, তা প্রমাণ করে জনগণ তাদের প্রাণপ্রিয় নেতাকে কতটা গভীরভাবে ভালোবাসে।”
‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’: নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন তারেক রহমানের গতদিনের বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “তারেক রহমান কেবল দেশে ফেরেননি, তিনি একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে এসেছেন। তিনি জনগণের উন্নয়ন, বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সুদৃঢ় করা এবং একটি সুখী-সমৃদ্ধ রাষ্ট্র নির্মাণের যে পরিকল্পনার কথা বলেছেন, তা মানুষের মনে নতুন আত্মবিশ্বাস তৈরি করেছে। ইনশাআল্লাহ, জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন নিয়ে তিনি এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবেন।”
রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অনন্য নজির বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে ফখরুল আরও বলেন, “ইতিহাসে খুব কম নেতার ভাগ্যেই এমন স্বতঃস্ফূর্ত সংবর্ধনা জোটে। দীর্ঘ নির্বাসন শেষে তার এই ফিরে আসা স্বৈরাচার পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইকে আরও শক্তিশালী করবে। সারা দেশের মানুষ আজ আনন্দিত ও উৎসাহিত।”
মির্জা ফখরুল মনে করেন, তারেক রহমানের এই নেতৃত্বের অধীনেই বাংলাদেশ তার হারানো গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পাবে এবং একটি বৈষম্যহীন রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।
















