নাইজেরিয়ায় সশস্ত্র হামলায় স্বামী ও দুই সন্তানকে হারানোর পর বাস্তুচ্যুত এক নারী সেলাইয়ের কাজ শিখে নতুন করে জীবন গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার সুযোগ পেলেও এখন তিনি নিরাপত্তা ও জীবিকার মধ্যে কঠিন সিদ্ধান্তের মুখোমুখি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েক বছর আগে নিজ এলাকায় সশস্ত্র হামলার সময় তাঁর পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য নিহত হন। পরে নিরাপত্তার আশায় সন্তানদের নিয়ে অন্য এলাকায় আশ্রয় নেন। সেখানে বিভিন্ন অস্থায়ী কাজ করে জীবিকা চালানোর পর একটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন কর্মসূচির মাধ্যমে সেলাই ও ব্যাগ তৈরির প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।
প্রশিক্ষণ শেষে তিনি নিজের ছোট ব্যবসা শুরু করেন এবং সেই আয় দিয়ে পরিবারের খাদ্য ও সন্তানদের প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম হন। একই কর্মসূচির আওতায় আরও অনেক সংঘাতকবলিত নারী প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম পেয়ে ক্ষুদ্র ব্যবসার মাধ্যমে আয় করছেন।
তবে নিরাপত্তাহীনতা এখনো বড় বাধা হয়ে রয়েছে। সহিংসতার কারণে বাজারে ক্রেতা কমে যায়, ব্যবসা ব্যাহত হয় এবং প্রয়োজনীয় কাঁচামাল সংগ্রহেও সমস্যার মুখে পড়তে হয়। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, সংঘাতপ্রবণ এলাকায় ক্ষুদ্র ব্যবসা সম্প্রসারণের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও জরুরি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিজ এলাকায় ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা থাকলেও সেখানে একইভাবে জীবিকা চালিয়ে যেতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন ওই নারী। তাঁর আশঙ্কা, বর্তমান ব্যবসা হারিয়ে গেলে আবারও পরিবারকে অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে হবে।
















