বাংলাদেশ ও নেপালের সঙ্গে পণ্য ও যাত্রী চলাচল আরও সহজ করতে পশ্চিমবঙ্গে ৭-৮টি নতুন আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর স্থাপনের পরিকল্পনা করেছে ভারত সরকার। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ল্যান্ড পোর্টস অথরিটি অব ইন্ডিয়া (এলপিএআই) এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।
এলপিএআই চেয়ারম্যান জয়ন্ত সিং জানিয়েছেন, পানিট্যাঙ্কি, ঘোজাডাঙ্গা, হিলি এবং বীরপাড়াসহ সীমান্তবর্তী কয়েকটি স্থান নতুন স্থলবন্দর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে একমাত্র পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর রয়েছে পেট্রাপোলে, যা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অবস্থিত।
নতুন স্থলবন্দরগুলোতে পণ্য পরিবহন, কাস্টমস, ইমিগ্রেশন, গুদাম, কোল্ড স্টোরেজ, পার্কিং এবং সীমান্ত নিরাপত্তা সংক্রান্ত সব সুবিধা একসঙ্গে থাকবে। প্রতিটি বন্দরের জন্য গড়ে প্রায় ৫০ একর সীমান্তবর্তী জমি প্রয়োজন হবে।
এতদিন প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণের জটিলতায় প্রকল্পগুলো এগোয়নি। তবে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠনের পর কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয় বৃদ্ধি পাওয়ায় জমি সংক্রান্ত বাধা দূর হবে বলে আশা করছে এলপিএআই।
ভারত সরকার বর্তমানে দেশের ১৫টি স্থলবন্দরের সঙ্গে আরও ৭৪টি নতুন স্থলবন্দর যুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ভারতের মোট বাণিজ্যের একটি বড় অংশ স্থলবন্দর দিয়ে পরিচালিত হলেও সীমান্ত বাণিজ্যে এখনো বিপুল সম্ভাবনা অব্যবহৃত রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন স্থলবন্দরগুলো চালু হলে ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য, আঞ্চলিক সংযোগ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হতে পারে।
















